শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরী,  ৭ কারখানা গুড়িয়ে দিল প্রশাসন

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা অবৈধভাবে কাঠের গুড়ি পুড়িয়ে কয়লা তৈরির একটি কারখানায় অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। এসময় ফায়ারসার্ভিস দল কারখানার ৭ চুল্লির আগুন পানি দিয়ে নিভে দেন। পরে এস্কেভেটর দিয়ে সম্পূণ গুড়িয়ে দেওয়া হয়।

সোমবার (২১ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নে বাসুদেবপুর (নুরিয়াপাড়া) গ্রামে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন পরিবেশ অধিদপ্তর রংপুর বিভাগের উপপরিচালক হাসন-ই-মোবারক। তার সঙ্গে ছিলেন পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুজ্জামান নয়ন।

জানা যায়, অবৈধভাবে চলমান ওই কারখানা চুল্লি থেকে নির্গত ধোঁয়ায় এদিকে নষ্ট হচ্ছে ফসলি জমি। অন্যদিকে শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছিল সাধারণ মানুষ। স্থানীয় নজরুল ইসলাম ও মিজানুর রহমান নামে দুই ব্যক্তি জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই জনবসতিপর্ণ এলাকায় কারখানা স্থাপন করেন। যা পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি স্বরুপ। প্রতিটি চুল্লিতে প্রতি রাউন্ডে ২০০ থেকে ৩০০ মণ কাঠ পোড়ানো হয়। ৮ থেকে ১০ দিন পোড়ানোর পর চুলা থেকে কয়লা বের করা হয়। চুল্লি থেকে নির্গত ধোঁয়ায় আশপাশ আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। এতে একদেকে এলাকায় শ্বাসজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। অন্যদিকে উঠতি ফসলের উপর বিরুপ প্রভাব ফেলছে।

অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুজ্জামান নয়ন। তিনি বলেন, অবৈধভাবে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরীতে পরিবেশ দূষণ হচ্ছিল।

জনপ্রিয়

অর্থসংকটে থেমে থাকা শ্মশান চুল্লির কাজ, নকশা বদলে শুরু স্থানীয়দের

কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরী,  ৭ কারখানা গুড়িয়ে দিল প্রশাসন

প্রকাশের সময়: ০৩:৪৭:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ নভেম্বর ২০২২

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা অবৈধভাবে কাঠের গুড়ি পুড়িয়ে কয়লা তৈরির একটি কারখানায় অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। এসময় ফায়ারসার্ভিস দল কারখানার ৭ চুল্লির আগুন পানি দিয়ে নিভে দেন। পরে এস্কেভেটর দিয়ে সম্পূণ গুড়িয়ে দেওয়া হয়।

সোমবার (২১ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নে বাসুদেবপুর (নুরিয়াপাড়া) গ্রামে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন পরিবেশ অধিদপ্তর রংপুর বিভাগের উপপরিচালক হাসন-ই-মোবারক। তার সঙ্গে ছিলেন পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুজ্জামান নয়ন।

জানা যায়, অবৈধভাবে চলমান ওই কারখানা চুল্লি থেকে নির্গত ধোঁয়ায় এদিকে নষ্ট হচ্ছে ফসলি জমি। অন্যদিকে শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছিল সাধারণ মানুষ। স্থানীয় নজরুল ইসলাম ও মিজানুর রহমান নামে দুই ব্যক্তি জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই জনবসতিপর্ণ এলাকায় কারখানা স্থাপন করেন। যা পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি স্বরুপ। প্রতিটি চুল্লিতে প্রতি রাউন্ডে ২০০ থেকে ৩০০ মণ কাঠ পোড়ানো হয়। ৮ থেকে ১০ দিন পোড়ানোর পর চুলা থেকে কয়লা বের করা হয়। চুল্লি থেকে নির্গত ধোঁয়ায় আশপাশ আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। এতে একদেকে এলাকায় শ্বাসজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। অন্যদিকে উঠতি ফসলের উপর বিরুপ প্রভাব ফেলছে।

অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুজ্জামান নয়ন। তিনি বলেন, অবৈধভাবে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরীতে পরিবেশ দূষণ হচ্ছিল।