গাইবান্ধা পৌর শহরের জুম্মাপাড়ার অসহায় দিনমজুর ইসাহাক মিয়ার ছেলে মুন্না মিয়া (২৮) অন্য সবার মতো চোখে দেখলেও বর্তমানে সে দু’চোখে কিছুই দেখতে পায় না। মুন্না মিয়া মাত্র ৬ বছর বয়সেই দু’চোখে ছানি পড়ে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হয়ে যায়।
বিদ্যমান অবস্থায় রংপুর হাসপাতালে তার ডান চোখের ছানি অপারেশন করা হয়। এসময় সে ডান চোখ দিয়ে আগের মত দেখতে পারছিল। এরপর মুন্নার বাম চোখটি কুড়িগ্রামের উলিপুরে ছানি অপারেশন করা হলে বাম চোখটি একেবারেই অন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু হঠাৎ করেই মুন্নার ডান চোখে ব্যাথা শুরু করে। ডাক্তারের কাছে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে জানা যায় তার চোখের লেন্সটি ভেঙ্গে গেছে এবং মনি বাঁকা হয়ে গেছে। পরে ডাক্তারের পরামর্শে মানুষের কাছে সাহায্য সহযোগিতা নিয়ে ঢাকা ইসলামিয়া হাসপাতালে ডান চোখের অপারেশন করে ভেঙ্গে যাওয়া লেন্সটি বের করা হয়। এর দুইমাস পর আবারও ডান চোখে ব্যাথা শুরু করলে ঢাকা ধানমন্ডির ভিশন আই হাসপাতালে অপারেশনের মাধ্যমে চোখের ভেঙে যাওয়া লেন্সটি বের করে বাঁকা মনি সোজাভাবে বসিয়ে পুন:রায় নতুন লেন্স লাগানো হয়।
ইসাহাক মিয়া বলেন, বর্তমানে মুন্না মিয়া দু’চোখের এক চোখেও দেখতে পায় না। তাই চিকিৎসকরা বলেছেন মুন্নার আগের মত দৃষ্টি ফিরে পেতে হলে তাকে দেশের বাইরে চেন্নাই নিয়ে অপারেশন করতে হবে। এতে চিকিৎসা ব্যয় হবে প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা। এতো টাকা ব্যয় করা আমার পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই তিনি সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষের কাছে সাহায্য সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, গাইবান্ধা 



















