শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যস্ত হিলির কারিগররা 

পড়ছে শীত, লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন দিনাজপুরের হিলির কারিগররা। আমন ধান কাটা-মাড়াই শেষ হলে অর্ডার বাড়বে, বলছেন তুলা ব্যবসায়ী।
সোমবার (২১ নভেম্বর) দুপুরে হিলির তুলার আড়ৎ ঘুরে দেখা যায়, আড়তে কারিগররা সুই-সুতা দিয়ে লেফ-তোষক তৈরি করছেন। আড়তে বিভিন্ন প্রকার তুল বস্তায় সাজানো। লেপ-তোষকের কাপড় কাটছেন কারিগর। ২৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে এসব তুলা, আর ৫০ থেকে ৬০ গজ হিসেবে বিক্রি হচ্ছে লেফ-তোষকের কাপড়। ভাল মানের তুলা দিয়ে লেফ তৈরি করতে খরচ পড়ে ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকা। আর নিম্নমানের তুলা দিয়ে খরচ হচ্ছে ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকা।
এদিকে একটি লেপ তৈরি করতে মজুরি হিসেবে কারিগররা পায় ২৫০ টাকা। তবে শীতের প্রভাব বেশি হলেও বর্তমান তেমন নেই তোষকের অর্ডার। কেন না এই অঞ্চলের মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। চলছে আমন ধান কাটা-মাড়াই। ধান কাটা-মাড়াইয়ের পর শুরু হবে লেফ-তোষক তৈরির ধুম।
লেপ-তোষক তৈরির কারিগর আজিজুর রহমান বলেন, শীত পড়ে গেছে। লোকজন আসতে শুরু করেছে লেফ-তোষক তৈরি করতে। এই আড়তে আমরা তিন কারিগর কাজ করি। দিনে ৫ থেকে ৬ টি লেফ তৈরি করছি। এতে যা উপার্জন হয় তাই দিয়ে চলছি। তবে সব জিনিসপাতির দাম বেড়ে গেছে। যদি আমাদের মজুরি আর একটু বাড়তো তাহলে অনেক ভাল হতো।
তুলা ব্যবসায়ী ইউসুফ আলী বলেন, আমি গ্রামে গ্রামে ঘুরে ফেরি করে তুলা বিক্রি করি। দিনে ২৫০ থেকে ৩০০ কেজি তুলা বিক্রি হয়। ধান কাটা-মাড়াই শুরু হয়েছে, লোকজন শহরে আসতে পারছে না। আমার নিকট থেকে তারা তুলা কিনে লেফ-তোষক তৈরি করছে।
হিলি বাজারে তুলার আড়ৎদার আব্দুল খালেক বলেন, শীত পড়ে গেছে, লেফ-তোষকও তৈরি করছে মানুষ। তবে আমন ধান কাটা-মাড়াই শেষ হলে বেচাবিক্রি আরও বাড়বে।
জনপ্রিয়

অর্থসংকটে থেমে থাকা শ্মশান চুল্লির কাজ, নকশা বদলে শুরু স্থানীয়দের

লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যস্ত হিলির কারিগররা 

প্রকাশের সময়: ০৭:০৮:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ নভেম্বর ২০২২
পড়ছে শীত, লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন দিনাজপুরের হিলির কারিগররা। আমন ধান কাটা-মাড়াই শেষ হলে অর্ডার বাড়বে, বলছেন তুলা ব্যবসায়ী।
সোমবার (২১ নভেম্বর) দুপুরে হিলির তুলার আড়ৎ ঘুরে দেখা যায়, আড়তে কারিগররা সুই-সুতা দিয়ে লেফ-তোষক তৈরি করছেন। আড়তে বিভিন্ন প্রকার তুল বস্তায় সাজানো। লেপ-তোষকের কাপড় কাটছেন কারিগর। ২৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে এসব তুলা, আর ৫০ থেকে ৬০ গজ হিসেবে বিক্রি হচ্ছে লেফ-তোষকের কাপড়। ভাল মানের তুলা দিয়ে লেফ তৈরি করতে খরচ পড়ে ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকা। আর নিম্নমানের তুলা দিয়ে খরচ হচ্ছে ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকা।
এদিকে একটি লেপ তৈরি করতে মজুরি হিসেবে কারিগররা পায় ২৫০ টাকা। তবে শীতের প্রভাব বেশি হলেও বর্তমান তেমন নেই তোষকের অর্ডার। কেন না এই অঞ্চলের মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। চলছে আমন ধান কাটা-মাড়াই। ধান কাটা-মাড়াইয়ের পর শুরু হবে লেফ-তোষক তৈরির ধুম।
লেপ-তোষক তৈরির কারিগর আজিজুর রহমান বলেন, শীত পড়ে গেছে। লোকজন আসতে শুরু করেছে লেফ-তোষক তৈরি করতে। এই আড়তে আমরা তিন কারিগর কাজ করি। দিনে ৫ থেকে ৬ টি লেফ তৈরি করছি। এতে যা উপার্জন হয় তাই দিয়ে চলছি। তবে সব জিনিসপাতির দাম বেড়ে গেছে। যদি আমাদের মজুরি আর একটু বাড়তো তাহলে অনেক ভাল হতো।
তুলা ব্যবসায়ী ইউসুফ আলী বলেন, আমি গ্রামে গ্রামে ঘুরে ফেরি করে তুলা বিক্রি করি। দিনে ২৫০ থেকে ৩০০ কেজি তুলা বিক্রি হয়। ধান কাটা-মাড়াই শুরু হয়েছে, লোকজন শহরে আসতে পারছে না। আমার নিকট থেকে তারা তুলা কিনে লেফ-তোষক তৈরি করছে।
হিলি বাজারে তুলার আড়ৎদার আব্দুল খালেক বলেন, শীত পড়ে গেছে, লেফ-তোষকও তৈরি করছে মানুষ। তবে আমন ধান কাটা-মাড়াই শেষ হলে বেচাবিক্রি আরও বাড়বে।