শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নদী ভাঙনে ঘরবাড়ি বিলীন, স্থায়ী সমাধানের দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ঘাঘট নদীর ভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধানের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের মধ্য সাহাবাজ ঘাঘট নদীর তীরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সর্বানন্দ ইউপি সদস্য জিয়াউর রহমান জিয়া, কাজি নুরুল ইসলাম শফিক, প্রধান শিক্ষক মাহাবুবুর রহমান বাদশা, পল্লী চিকিৎসক শহিদুল ইসলাম, জামাল মন্ডল প্রমুখ। এছাড়া  এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যসহ  প্রায় তিন শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করে।

ঘন্টাব্যাপী চলা মানববন্ধনে ক্ষতিগ্রস্তরা বলেন, প্রায় ২০ বছর ধরে সর্বানন্দের ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে সাহাবাজ এলাকায় ঘাঘট নদী ভাঙছে। বর্ষা এলেই ভাঙন আরও তীব্র হয়ে উঠে। ঘাঘটের ভাঙনে  ইতিমধ্যেই প্রায় ৩০-৪০টি ঘরবাড়ি, একটি বেড়িবাঁধ ও কয়েক একর ফসলি জমি  নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে আরো ২০-২৫টি বাড়িঘর, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফসলি জমি ও স্থাপনা ভাঙনের হুমকির মুখে পড়েছে।

 

 

জনপ্রিয়

অর্থসংকটে থেমে থাকা শ্মশান চুল্লির কাজ, নকশা বদলে শুরু স্থানীয়দের

নদী ভাঙনে ঘরবাড়ি বিলীন, স্থায়ী সমাধানের দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের

প্রকাশের সময়: ০৩:০২:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ঘাঘট নদীর ভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধানের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের মধ্য সাহাবাজ ঘাঘট নদীর তীরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সর্বানন্দ ইউপি সদস্য জিয়াউর রহমান জিয়া, কাজি নুরুল ইসলাম শফিক, প্রধান শিক্ষক মাহাবুবুর রহমান বাদশা, পল্লী চিকিৎসক শহিদুল ইসলাম, জামাল মন্ডল প্রমুখ। এছাড়া  এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যসহ  প্রায় তিন শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করে।

ঘন্টাব্যাপী চলা মানববন্ধনে ক্ষতিগ্রস্তরা বলেন, প্রায় ২০ বছর ধরে সর্বানন্দের ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে সাহাবাজ এলাকায় ঘাঘট নদী ভাঙছে। বর্ষা এলেই ভাঙন আরও তীব্র হয়ে উঠে। ঘাঘটের ভাঙনে  ইতিমধ্যেই প্রায় ৩০-৪০টি ঘরবাড়ি, একটি বেড়িবাঁধ ও কয়েক একর ফসলি জমি  নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে আরো ২০-২৫টি বাড়িঘর, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফসলি জমি ও স্থাপনা ভাঙনের হুমকির মুখে পড়েছে।