শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধা-৫ আসনে ভোটের তারিখ জানাল ইসি

অনিয়মের কারণে বন্ধ হওয়া গাইবান্ধা-৫ আসনে আগামী ৪ জানুয়ারি ফের ভোটগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সভা শেষে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান নির্বাচন কমিশন সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

সিসি ক্যামেরায় পর্যবেক্ষণে নানা অনিয়ম ধরা পড়লে গত ১২ অক্টোবর গাইবান্ধা-৫ আসনে ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ওইদিন সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে কয়েক ঘণ্টা চলার পরই ভোটকেন্দ্রে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগে নির্বাচন বন্ধের সিদ্ধান্ত জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

পরবর্তীকালে অনিয়মের ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন দিতে কমিটিও করা হয়। সেই কমিটি ৫১টি ভোটকেন্দ্রের ঘটনা তদন্ত করে গত ২৭ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন জমা দেয়। এরপর সংসদীয় আসনটির বাকি ৯৪টি ভোটকেন্দ্রেও অনিয়ম ছিল কি-না, তা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে পর্যবেক্ষণ শেষে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেয় ইসি। গত ১৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় সেই প্রতিবেদনও ইসিতে জমা দেওয়া হয়েছে।

সবশেষ গত ১ ডিসেম্বর সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল জানান, অনিয়মের অভিযোগে গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ বন্ধ হলেও জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও সেখানকার সংসদ সদস্যদের কোনো দোষ পায়নি নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

উল্লেখ্য, গত ২৩ জুলাই জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়ার মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয়ে যায়। পরে নিয়ম অনুযায়ী গাইবান্ধা-৫ আসনে ভোটের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। সুত্রঃ ঢাকামেইল

জনপ্রিয়

অর্থসংকটে থেমে থাকা শ্মশান চুল্লির কাজ, নকশা বদলে শুরু স্থানীয়দের

গাইবান্ধা-৫ আসনে ভোটের তারিখ জানাল ইসি

প্রকাশের সময়: ১২:০৩:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২২

অনিয়মের কারণে বন্ধ হওয়া গাইবান্ধা-৫ আসনে আগামী ৪ জানুয়ারি ফের ভোটগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সভা শেষে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান নির্বাচন কমিশন সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

সিসি ক্যামেরায় পর্যবেক্ষণে নানা অনিয়ম ধরা পড়লে গত ১২ অক্টোবর গাইবান্ধা-৫ আসনে ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ওইদিন সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে কয়েক ঘণ্টা চলার পরই ভোটকেন্দ্রে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগে নির্বাচন বন্ধের সিদ্ধান্ত জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

পরবর্তীকালে অনিয়মের ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন দিতে কমিটিও করা হয়। সেই কমিটি ৫১টি ভোটকেন্দ্রের ঘটনা তদন্ত করে গত ২৭ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন জমা দেয়। এরপর সংসদীয় আসনটির বাকি ৯৪টি ভোটকেন্দ্রেও অনিয়ম ছিল কি-না, তা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে পর্যবেক্ষণ শেষে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেয় ইসি। গত ১৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় সেই প্রতিবেদনও ইসিতে জমা দেওয়া হয়েছে।

সবশেষ গত ১ ডিসেম্বর সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল জানান, অনিয়মের অভিযোগে গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ বন্ধ হলেও জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও সেখানকার সংসদ সদস্যদের কোনো দোষ পায়নি নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

উল্লেখ্য, গত ২৩ জুলাই জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়ার মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয়ে যায়। পরে নিয়ম অনুযায়ী গাইবান্ধা-৫ আসনে ভোটের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। সুত্রঃ ঢাকামেইল