শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় ইজিবাইকের ধাক্কায় প্রাণ গেল গৃহবধূর

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ইজিবাইকের ধাক্কায় রিনা বেগম (৪০) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন।

শনিবার (১০ ডিসেম্বর) গাইবান্ধা-সাদুল্লাপুর সড়কের কাজলঢোপ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রিনা বেগম সাদুল্লাপুর উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ছান্দিয়াপুর (বসনিয়াপাড়া) গ্রামের ছবুল হকের স্ত্রী।

স্বজনরা জানান, ছবুল হকের বাড়িতে রাখা গাভীর দুধ কুকুড়ে পান করে। এই দুধ তার স্ত্রী রিনা বেগম অজান্তে পান করে। এরপর সন্দেহ হওয়ায় তার ভাতিজা সোহেল মিয়ার মোটরসাইকেল যোগে গাইবান্ধা সদর হাসাপাতালে ভ্যাকসিন নেওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পথিমধ্যে বল্লমঝাড় ইউনিয়নের কাজলঢোপ নামকস্থানে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ইজিবাইক তাদের ধাক্কা দেয়। এসময় সোহেল ও রিনা বেগম ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিলে দায়িত্বরত চিকিৎসক রিনা বেগমকে মৃত্যু ঘোষণা করে। রিনা বেগমের ছেলে সবুজ মিয়া এঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোনটি ধরেনি তিনি।

জনপ্রিয়

অর্থসংকটে থেমে থাকা শ্মশান চুল্লির কাজ, নকশা বদলে শুরু স্থানীয়দের

গাইবান্ধায় ইজিবাইকের ধাক্কায় প্রাণ গেল গৃহবধূর

প্রকাশের সময়: ০৬:২৩:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ইজিবাইকের ধাক্কায় রিনা বেগম (৪০) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন।

শনিবার (১০ ডিসেম্বর) গাইবান্ধা-সাদুল্লাপুর সড়কের কাজলঢোপ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রিনা বেগম সাদুল্লাপুর উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ছান্দিয়াপুর (বসনিয়াপাড়া) গ্রামের ছবুল হকের স্ত্রী।

স্বজনরা জানান, ছবুল হকের বাড়িতে রাখা গাভীর দুধ কুকুড়ে পান করে। এই দুধ তার স্ত্রী রিনা বেগম অজান্তে পান করে। এরপর সন্দেহ হওয়ায় তার ভাতিজা সোহেল মিয়ার মোটরসাইকেল যোগে গাইবান্ধা সদর হাসাপাতালে ভ্যাকসিন নেওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পথিমধ্যে বল্লমঝাড় ইউনিয়নের কাজলঢোপ নামকস্থানে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ইজিবাইক তাদের ধাক্কা দেয়। এসময় সোহেল ও রিনা বেগম ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিলে দায়িত্বরত চিকিৎসক রিনা বেগমকে মৃত্যু ঘোষণা করে। রিনা বেগমের ছেলে সবুজ মিয়া এঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোনটি ধরেনি তিনি।