শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাতৃমৃত্যু নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে

মা ও শিশু স্বাস্থ্যের উন্নতি সাধন, অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ ও অনিরাপদ গর্ভপাত রোধ এবং নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে মাতৃমৃত্যু ২০৩০ সালের মধ্যে ৭০-এ নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ ডিসেম্বর) গাইবান্ধায় পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে এক অ্যাডভোকেসি সভা জেলায় এ তথ্য জানানো হয়।

প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মো. জাহিদ হাসান।

সভায় আরও বক্তব্য দেন- জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. রবিউল পারভেজ, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোসা. মাহবুবা খাতুন, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের ইনচার্জ ডা. আফসারী খানম, পুলিশ পরিদর্শক নুর-ই-আলম সিদ্দিকী, সাংবাদিক সরকার মো. শহিদুজ্জামান, ফ্রেন্ডশীপের প্রতিনিধি জিএম আব্দুর রহিম, মো. ফারুক হোসেন প্রমুখ।

জনপ্রিয়

অর্থসংকটে থেমে থাকা শ্মশান চুল্লির কাজ, নকশা বদলে শুরু স্থানীয়দের

মাতৃমৃত্যু নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে

প্রকাশের সময়: ০৭:১১:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২২

মা ও শিশু স্বাস্থ্যের উন্নতি সাধন, অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ ও অনিরাপদ গর্ভপাত রোধ এবং নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে মাতৃমৃত্যু ২০৩০ সালের মধ্যে ৭০-এ নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ ডিসেম্বর) গাইবান্ধায় পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে এক অ্যাডভোকেসি সভা জেলায় এ তথ্য জানানো হয়।

প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মো. জাহিদ হাসান।

সভায় আরও বক্তব্য দেন- জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. রবিউল পারভেজ, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোসা. মাহবুবা খাতুন, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের ইনচার্জ ডা. আফসারী খানম, পুলিশ পরিদর্শক নুর-ই-আলম সিদ্দিকী, সাংবাদিক সরকার মো. শহিদুজ্জামান, ফ্রেন্ডশীপের প্রতিনিধি জিএম আব্দুর রহিম, মো. ফারুক হোসেন প্রমুখ।