শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শীতের আমেজে রাস্তায় রাস্তায় পিঠার দোকান

প্রকৃতিতে বইছে শীতের সমীরণ। কুয়শাঘেরা সকাল দেখে মনে হয় শ্বেত হিমালয়।সন্ধ্যায় রাস্তার পাশে ধুলো মাখা ধোঁয়া ওড়া পিঠা ঠান্ডা করতে জোরে জোরে ফুঁ দেন লোকজন, এটাইতো শীতের চিত্র। শীতের এই আগমনীতে

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও মোড়গুলোতে এখন পিঠার ঘ্রাণ।

ব্যস্ত সময় পার করছেন পিঠা-পুলি বিক্রেতারা ।এসব পিঠায় মায়ের হাতের, আদর মাখা না থাকলেও আছে পিঠা বিক্রেতাদের যতœ।তাদের কাছে ভাপাপিঠা, চিতই, পুলিপিঠা, পাটিসাপটাসহ নানা ধরণের পিঠা পাওয়া যায়।

এসব পিঠার স্বাদ বাড়াতে দেওয়া হচ্ছে সরিষা, মরিচ ও পুঁদিনার ভর্তা নানা ধরণের গুড়, নারিকেল, দুধ, বাদাম, পেস্তা, কিশমিশ ইত্যাদি ।সরজমিনে ঘুরে দেখা যায় উপজেলার জগদীশপুর, নোয়াপাড়া,মাধবপুর পৌর বাজার, মনতলা, তেলিয়াপাড়া সহ অনেক জায়গাতেই বিকাল হলেই বিভিন্ন ধরনের পিঠা তৈরির দোকান। শিশু ও বৃদ্ধ থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সের লোকজন পিঠা খেতে অপেক্ষা করছেন দোকানের সামনে । শীতের পিঠার পাশাপাশি দোকানে বিক্রি হচ্ছে হাঁস ও মুরগির ডিম ও।

রশিদ নামে এক বিক্রেতা জানান, শীত মৌসুমে তারা ভ্রাম্যমাণ দোকান বসিয়ে বিভিন্ন ধরনের পিঠা বিক্রি করেন। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকেই রাত পর্যন্ত চলে পিঠা বিক্রি। একেকটি পিঠা বিক্রি করা হয় ৫থেকে ১০ টাকায়। আবার যে পিঠাগুলো আগে ৫ টাকা দরে বিক্রি করতাম এখন সেগুলো ১০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। চাল, গুড়, গ্যাসের দাম বেড়েছে। তাই পিঠার দামও বাড়িয়েছি।পিঠা খেতে আসা

রাফসান নামে এক জন বলেন হেঁটেই বাজারে যাচ্ছিলাম। ভাপা পিঠা দেখে আর লোভ সামলাতে পারলাম না তাই থেমে গেলাম। আকবর মিয়া নামে আরেক জন বলেন ইতোমধ্যে সড়কের ধারে হাট-বাজারে পিঠার দোকান দিয়েছেন অনেকে। তাই শীতের পিঠা খাওয়ার জন্য এখানে এসেছি। আমার মতো অনেকেই পিঠা খেতে আসছেন।

জনপ্রিয়

অর্থসংকটে থেমে থাকা শ্মশান চুল্লির কাজ, নকশা বদলে শুরু স্থানীয়দের

শীতের আমেজে রাস্তায় রাস্তায় পিঠার দোকান

প্রকাশের সময়: ০৫:১৫:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২২

প্রকৃতিতে বইছে শীতের সমীরণ। কুয়শাঘেরা সকাল দেখে মনে হয় শ্বেত হিমালয়।সন্ধ্যায় রাস্তার পাশে ধুলো মাখা ধোঁয়া ওড়া পিঠা ঠান্ডা করতে জোরে জোরে ফুঁ দেন লোকজন, এটাইতো শীতের চিত্র। শীতের এই আগমনীতে

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও মোড়গুলোতে এখন পিঠার ঘ্রাণ।

ব্যস্ত সময় পার করছেন পিঠা-পুলি বিক্রেতারা ।এসব পিঠায় মায়ের হাতের, আদর মাখা না থাকলেও আছে পিঠা বিক্রেতাদের যতœ।তাদের কাছে ভাপাপিঠা, চিতই, পুলিপিঠা, পাটিসাপটাসহ নানা ধরণের পিঠা পাওয়া যায়।

এসব পিঠার স্বাদ বাড়াতে দেওয়া হচ্ছে সরিষা, মরিচ ও পুঁদিনার ভর্তা নানা ধরণের গুড়, নারিকেল, দুধ, বাদাম, পেস্তা, কিশমিশ ইত্যাদি ।সরজমিনে ঘুরে দেখা যায় উপজেলার জগদীশপুর, নোয়াপাড়া,মাধবপুর পৌর বাজার, মনতলা, তেলিয়াপাড়া সহ অনেক জায়গাতেই বিকাল হলেই বিভিন্ন ধরনের পিঠা তৈরির দোকান। শিশু ও বৃদ্ধ থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সের লোকজন পিঠা খেতে অপেক্ষা করছেন দোকানের সামনে । শীতের পিঠার পাশাপাশি দোকানে বিক্রি হচ্ছে হাঁস ও মুরগির ডিম ও।

রশিদ নামে এক বিক্রেতা জানান, শীত মৌসুমে তারা ভ্রাম্যমাণ দোকান বসিয়ে বিভিন্ন ধরনের পিঠা বিক্রি করেন। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকেই রাত পর্যন্ত চলে পিঠা বিক্রি। একেকটি পিঠা বিক্রি করা হয় ৫থেকে ১০ টাকায়। আবার যে পিঠাগুলো আগে ৫ টাকা দরে বিক্রি করতাম এখন সেগুলো ১০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। চাল, গুড়, গ্যাসের দাম বেড়েছে। তাই পিঠার দামও বাড়িয়েছি।পিঠা খেতে আসা

রাফসান নামে এক জন বলেন হেঁটেই বাজারে যাচ্ছিলাম। ভাপা পিঠা দেখে আর লোভ সামলাতে পারলাম না তাই থেমে গেলাম। আকবর মিয়া নামে আরেক জন বলেন ইতোমধ্যে সড়কের ধারে হাট-বাজারে পিঠার দোকান দিয়েছেন অনেকে। তাই শীতের পিঠা খাওয়ার জন্য এখানে এসেছি। আমার মতো অনেকেই পিঠা খেতে আসছেন।