গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জ বাজারে পাটগুদামসহ পাশের ঘরবাড়ি ভস্মিভূত হয়। গতকাল বুধবার ভয়াবহ এ ঘটনাটি নাশকতা হিসেবে দেখছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। এ বিষয়েটি খতিয়ে দেখতে মাঠে নেমেছে পুলিশ।
অগ্নিকাণ্ডের মহিমাগঞ্জ বাজারের মেসার্স সরকার ট্রেডার্সের পাটগুদামে রক্ষিত প্রায় ৪ হাজার মণ পাট ও মহিমাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলামের বাড়ি ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমানের বাড়ি সম্পূর্ণ ভষ্মিভূত হওয়ার ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান আয়োয়ারুল ইসলাম প্রধান গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন। তিনি বিষয়টি নাশকতামূলক ভাবে ঘটনো হয়েছে বলে সুষ্ঠু তদন্তের দাবী জানান।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইজার উদ্দিন বলেন, মহিমাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিষয়টি নাশকতা হিসেবে দেখছেন এবং তিনি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন। আমরা বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
এদিকে, বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলে ক্ষতিগ্রস্ত পাটের গুদাম ও বাড়ি ঘর পরিদর্শন করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার সি সার্কেল উদয় কুমার সাহা। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের শান্তনা দেন।
পরিদর্শনকালে গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইজার উদ্দিন, মহিমাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম প্রধান, স্থানীয় প্রধান গ্রুপের চেয়ারম্যান নাজির হোসেন প্রধানসহ গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গতকাল বুধবার মহিমাগঞ্জ বাজারে পাটের গুদামে আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গুদামে রক্ষিত প্রায় ৪ হাজার মণ পাটসহ পাটের গুদাম ও মহিমাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম প্রধানের বাড়ি এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান বাড়ির যাবতীয় মালামাল, আসবাবপত্র, দলিলপত্র, প্রযোজনীয় কাগজপত্র ও নগদ টাকা আগুনে ভষ্মিভূত হয়। এতে প্রায় চার কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, গাইবান্ধা 



















