শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাবনায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা

বর্তমান প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে পাবনায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা। বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে পাবনা জেলা কৃষকলীগ এই লাঠিখেলার আয়োজন করে।
 পাবনা শহরের স্বাধীনতা চত্বরে খেলার উদ্বোধন করেন জেলা কৃষকলীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজবাউর রহমান রোজ। এ সময় জেলা কৃষকলীগের সভাপতি শহিদুর রহমান শহিদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
খেলা শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে পুরস্কার বিতরণ করেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আ স ম আব্দুর রহিম পাকন।
জেলার বিভিন্ন উপজেলার লাঠিয়াল দল এই খেলায় অংশ নেয়। বাদ্য-বাজনার তালে তালে শারীরিক নানা কসরত দেখান লাঠিয়াল দলের সদস্যরা। লাঠিখেলা উপভোগ করতে ভীড় জমে নানা বয়সী মানুষের। দীর্ঘদিন পর হারিয়ে যাওয়া খেলা দেখতে পেরে খুশি দর্শকরা।
জেলা কৃষকলীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজবাউর রহমান রোজ জানান, ডিজিটাল প্রযুক্তির কারণে নতুন প্রজন্ম যেন তাদের শেকড় ঐতিহ্য ভুলে না যায়, সেকারণে লাঠিখেলার আয়োজন।
নুরুল ইসলাম, কায়েম উদ্দিন সহ কয়েকজন খেলোয়াররা জানান, ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে তারা এখনও টিকিয়ে রেখেছেন লাঠিখেলা। বংশ পরস্পর তারা লাঠিখেলায় অংশ নেন।
জনপ্রিয়

অর্থসংকটে থেমে থাকা শ্মশান চুল্লির কাজ, নকশা বদলে শুরু স্থানীয়দের

পাবনায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা

প্রকাশের সময়: ০২:১৯:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২২
বর্তমান প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে পাবনায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা। বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে পাবনা জেলা কৃষকলীগ এই লাঠিখেলার আয়োজন করে।
 পাবনা শহরের স্বাধীনতা চত্বরে খেলার উদ্বোধন করেন জেলা কৃষকলীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজবাউর রহমান রোজ। এ সময় জেলা কৃষকলীগের সভাপতি শহিদুর রহমান শহিদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
খেলা শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে পুরস্কার বিতরণ করেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আ স ম আব্দুর রহিম পাকন।
জেলার বিভিন্ন উপজেলার লাঠিয়াল দল এই খেলায় অংশ নেয়। বাদ্য-বাজনার তালে তালে শারীরিক নানা কসরত দেখান লাঠিয়াল দলের সদস্যরা। লাঠিখেলা উপভোগ করতে ভীড় জমে নানা বয়সী মানুষের। দীর্ঘদিন পর হারিয়ে যাওয়া খেলা দেখতে পেরে খুশি দর্শকরা।
জেলা কৃষকলীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজবাউর রহমান রোজ জানান, ডিজিটাল প্রযুক্তির কারণে নতুন প্রজন্ম যেন তাদের শেকড় ঐতিহ্য ভুলে না যায়, সেকারণে লাঠিখেলার আয়োজন।
নুরুল ইসলাম, কায়েম উদ্দিন সহ কয়েকজন খেলোয়াররা জানান, ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে তারা এখনও টিকিয়ে রেখেছেন লাঠিখেলা। বংশ পরস্পর তারা লাঠিখেলায় অংশ নেন।