শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোবিন্দগঞ্চে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণ, সহযোগি গ্রেফতার

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হলে ধর্ষকের সহযোগি মেহেদী হাসান (২৫) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইজার উদ্দিন। ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীকে বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলেন জানান ওসি।

মামলা সুত্রে জানা গেছে গত বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর ) সন্ধ্যায় উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের চক শিবপুর গ্রামের ওই ছাত্রীটি ধানের খড় আনতে বাড়ির বাইরে যায়। এসময় একই ইউনিয়নের চক সিংহডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল জলিল প্রধানের ছেলে সুমন প্রধান (২৬) ও তার সহযোগী নাকাই ইউনিয়নের পগইল নাকাই গ্রামের মমতাজ আলীর ছেলে মেহেদী হাসান (২৫) ওই শিক্ষার্থীর মুখ চেপে ধরে পরিত্যাক্ত চাতালের পাশের একটি ঘাসের জমিতে নিয়ে যায়। সেখানে সুমন প্রধান জোড়পূর্বক ওই স্কুল শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করে। সুমনকে পাহাড়া দিয়ে ধর্ষণে সহায়তা করে মেহেদি হাসান। ধর্ষণের সময় ওই শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে রেখে সুমন ও মেহেদী হাসান পালিয়ে যায়।

পরে ওই শিক্ষার্থী পার্শ্ববর্তী এক আত্নীয়র বাড়িতে গিয়ে ধর্ষণের বিয়ষটি জানালে তাকে অসুস্থ অবস্থায় প্রথমে গোবিন্দগঞ্জ হাসপাতাল ও পরে শহিদ বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে, গতকাল শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতে এ ব্যাপারে সুমন প্রধান ও মেহেদী হাসানকে আসামি করে গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন ওই স্কুল ছাত্রীর পিতা । মামলার পর অভিযান চালিয়ে থানা পুলিশ রাতেই মামলার ২ নম্বর আসামি মেহেদী হাসানকে গ্রেফতার করে।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইজার উদ্দীন বলেন ধর্ষণ মামলার ২ নম্বর আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর আসামি সুমনকে গ্রেফতারের পুলিশী তৎপরতা অব্যহত রয়েছে।

জনপ্রিয়

অর্থসংকটে থেমে থাকা শ্মশান চুল্লির কাজ, নকশা বদলে শুরু স্থানীয়দের

গোবিন্দগঞ্চে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণ, সহযোগি গ্রেফতার

প্রকাশের সময়: ০৩:১২:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২২

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হলে ধর্ষকের সহযোগি মেহেদী হাসান (২৫) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইজার উদ্দিন। ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীকে বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলেন জানান ওসি।

মামলা সুত্রে জানা গেছে গত বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর ) সন্ধ্যায় উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের চক শিবপুর গ্রামের ওই ছাত্রীটি ধানের খড় আনতে বাড়ির বাইরে যায়। এসময় একই ইউনিয়নের চক সিংহডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল জলিল প্রধানের ছেলে সুমন প্রধান (২৬) ও তার সহযোগী নাকাই ইউনিয়নের পগইল নাকাই গ্রামের মমতাজ আলীর ছেলে মেহেদী হাসান (২৫) ওই শিক্ষার্থীর মুখ চেপে ধরে পরিত্যাক্ত চাতালের পাশের একটি ঘাসের জমিতে নিয়ে যায়। সেখানে সুমন প্রধান জোড়পূর্বক ওই স্কুল শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করে। সুমনকে পাহাড়া দিয়ে ধর্ষণে সহায়তা করে মেহেদি হাসান। ধর্ষণের সময় ওই শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে রেখে সুমন ও মেহেদী হাসান পালিয়ে যায়।

পরে ওই শিক্ষার্থী পার্শ্ববর্তী এক আত্নীয়র বাড়িতে গিয়ে ধর্ষণের বিয়ষটি জানালে তাকে অসুস্থ অবস্থায় প্রথমে গোবিন্দগঞ্জ হাসপাতাল ও পরে শহিদ বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে, গতকাল শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতে এ ব্যাপারে সুমন প্রধান ও মেহেদী হাসানকে আসামি করে গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন ওই স্কুল ছাত্রীর পিতা । মামলার পর অভিযান চালিয়ে থানা পুলিশ রাতেই মামলার ২ নম্বর আসামি মেহেদী হাসানকে গ্রেফতার করে।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইজার উদ্দীন বলেন ধর্ষণ মামলার ২ নম্বর আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর আসামি সুমনকে গ্রেফতারের পুলিশী তৎপরতা অব্যহত রয়েছে।