রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পীরগঞ্জে ফসলী জমিতে আবাসন প্রকল্প বন্ধে গণ আবেদন

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জের পাড়িয়ায় রাস্তা বিহীন নিচু তিন ফসলী আবাদি জমিতে আবাসন প্রকল্পের ঘড় নির্মান না করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে গন আবেদন করেছেন এলাকাবাসি। বৃহস্পতিবার বিকালে এ আবেদন করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে দেওয়া উপজেলার রঘুনাথপুর ও পাড়িয়া এলাকার কয়েকজন স্থায়ী বাসিন্দার অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করার মত সরকারী অনেক পতিত  ডাঙ্গা জমি  থাকলেও উপজেলা ৬ নং পীরগঞ্জ ইউনিয়নের পাড়িয়া মৌজায় তিন ফসলী আবাদি জমিতে আবাসন প্রকল্পের ঘড় নির্মান করার জন্য মাটি কাটার কাজ শুরু করা হয়েছে। এলাকাটি নিচু এবং সেখানে যাওয়ার মত কোন রাস্তা নেই। বর্ষাকালে এলাকাটি পানিতে ভড়ে যায়। তাছাড়া সেখানে আবাসন প্রকল্পের ঘড় নির্মান করা হলে আবাসনবাসী এবং তাদের হাঁস-মুরগি ও গোবাদি পশুর দ্বারা আশ পাশের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঐ আবাদি জমিতে আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হলে একদিকে যেমন ফসল হানি হবে অন্যদিকে আবাসনবাসীরা রাস্তার সমস্যায় পড়বেন এবং বর্ষাকালে তাদের বাড়ি পানিতে ডুবে যাবে। এতে আবাসন প্রকল্পের প্রকৃত উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে এবং এর সুফল থেকে বঞ্চিত হবেন তারা।  সরকারী পতিত ডাঙ্গা জমিতে আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হলে যাতায়াত সহ অন্যান্য সুবিধার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি ফসল হানি রক্ষা পাবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহরিয়ার নজির বলেন, তদন্তের কাজে বাইরে ছিলাম। এখনো আবেদন হাতে পাইনি। ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হবে।

জনপ্রিয়

প্রকল্পনির্ভর উন্নয়নকর্মীদের অনিশ্চিত জীবন ও অবহেলিত কর্মসংস্থান

পীরগঞ্জে ফসলী জমিতে আবাসন প্রকল্প বন্ধে গণ আবেদন

প্রকাশের সময়: ০৭:৩৮:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২২

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জের পাড়িয়ায় রাস্তা বিহীন নিচু তিন ফসলী আবাদি জমিতে আবাসন প্রকল্পের ঘড় নির্মান না করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে গন আবেদন করেছেন এলাকাবাসি। বৃহস্পতিবার বিকালে এ আবেদন করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে দেওয়া উপজেলার রঘুনাথপুর ও পাড়িয়া এলাকার কয়েকজন স্থায়ী বাসিন্দার অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করার মত সরকারী অনেক পতিত  ডাঙ্গা জমি  থাকলেও উপজেলা ৬ নং পীরগঞ্জ ইউনিয়নের পাড়িয়া মৌজায় তিন ফসলী আবাদি জমিতে আবাসন প্রকল্পের ঘড় নির্মান করার জন্য মাটি কাটার কাজ শুরু করা হয়েছে। এলাকাটি নিচু এবং সেখানে যাওয়ার মত কোন রাস্তা নেই। বর্ষাকালে এলাকাটি পানিতে ভড়ে যায়। তাছাড়া সেখানে আবাসন প্রকল্পের ঘড় নির্মান করা হলে আবাসনবাসী এবং তাদের হাঁস-মুরগি ও গোবাদি পশুর দ্বারা আশ পাশের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঐ আবাদি জমিতে আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হলে একদিকে যেমন ফসল হানি হবে অন্যদিকে আবাসনবাসীরা রাস্তার সমস্যায় পড়বেন এবং বর্ষাকালে তাদের বাড়ি পানিতে ডুবে যাবে। এতে আবাসন প্রকল্পের প্রকৃত উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে এবং এর সুফল থেকে বঞ্চিত হবেন তারা।  সরকারী পতিত ডাঙ্গা জমিতে আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হলে যাতায়াত সহ অন্যান্য সুবিধার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি ফসল হানি রক্ষা পাবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহরিয়ার নজির বলেন, তদন্তের কাজে বাইরে ছিলাম। এখনো আবেদন হাতে পাইনি। ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হবে।