শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নরমাল ডেলিভারির আস্থার জায়

ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গর্ভবতী নারীদের নরমাল ডেলিভারির সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। অপ্রয়োজনে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান জন্মদানে নিরুৎসাহিত করছেন চিকিৎসকরা। অন্তঃসত্ত¡া হওয়ার পর থেকে কাউন্সিলিং করা হচ্ছে নারীদের।

আধুনিক এ যুগে জীবনমান উন্নত হওয়ার সাথে সাথে চিকিৎসা ব্যবস্থারও উন্নতি হয়েছে অনেকগুণ। এক সময় প্রসবকালে ব্যথার অনাকাক্সিক্ষত ভয়, বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর মুনাফার লোভ এবং মা ও তার পরিবারের অসচেতনতার কারণেই সিজারিয়ান অপারেশনে আগ্রহ বাড়ে নারীদের। কমতে থাকে নরমাল ডেলিভারি।

তবে ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ব্যতিক্রম ঘটেছে। গত বছরের অক্টোবরে ৩৮ নভেম্বরে ৪৯ ও ডিসেম্বরে নরমাল ডেলিভারি হয়েছে ৪২জনের।

উপজেলার তাঁতীপাড়া গ্রামের মেহেদী হাসান সবুজের স্ত্রী মোসাঃ সোনীয়া জানান, তাঁর ১ম বাচ্চা নরমাল ডেলিভারি হওয়ায় খুব খুশি হয়েছেন। তিনি বলেন, সিজার করলে টাকাও বেশী খরচ হতো আমার ও বাচ্চার কষ্ট হতো।

মুশরীভূজা গ্রামের মোঃ টিপু সুলতানের স্ত্রী মোসাঃ বাকেরা বেগম জানান, আমার প্রথম বাচ্চা সিজার না করে নরমাল ডেলিভারি হওয়ায় আমরা খুব আনন্দিত।

ময়ামারী গ্রামের মোঃজাহিদুলের স্ত্রী মোসাঃ রোজিনার প্রথম বাচ্চা সিজার না করেই নরমাল ডেলিভারি হওয়ায় খুব খুশি হয়েছি। তিনি ভোলাহাট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মাহাবুব হাসান জানান, সিজারিয়ানের একজন মা ও শিশুর কি ধরনের ক্ষতি হয় তা তাঁরা জানেনা। আমরা তাঁদের জানোর জন্য কাউন্সিলিং করছি। এতে করে গত তিন মাসে ১’শ ২৯ মায়ের নরমাল ডেলিভারি করেছি। তিনি আরো বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন চিকিৎসক ও ৫জন মিড ওয়াইফ সার্বক্ষণিক নিয়োজিত আছেন। প্রসব ব্যাথা আসলে দ্রæত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসার অনুরোধ করেছেন।

জনপ্রিয়

অর্থসংকটে থেমে থাকা শ্মশান চুল্লির কাজ, নকশা বদলে শুরু স্থানীয়দের

ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নরমাল ডেলিভারির আস্থার জায়

প্রকাশের সময়: ০২:৫৪:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৩

ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গর্ভবতী নারীদের নরমাল ডেলিভারির সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। অপ্রয়োজনে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান জন্মদানে নিরুৎসাহিত করছেন চিকিৎসকরা। অন্তঃসত্ত¡া হওয়ার পর থেকে কাউন্সিলিং করা হচ্ছে নারীদের।

আধুনিক এ যুগে জীবনমান উন্নত হওয়ার সাথে সাথে চিকিৎসা ব্যবস্থারও উন্নতি হয়েছে অনেকগুণ। এক সময় প্রসবকালে ব্যথার অনাকাক্সিক্ষত ভয়, বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর মুনাফার লোভ এবং মা ও তার পরিবারের অসচেতনতার কারণেই সিজারিয়ান অপারেশনে আগ্রহ বাড়ে নারীদের। কমতে থাকে নরমাল ডেলিভারি।

তবে ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ব্যতিক্রম ঘটেছে। গত বছরের অক্টোবরে ৩৮ নভেম্বরে ৪৯ ও ডিসেম্বরে নরমাল ডেলিভারি হয়েছে ৪২জনের।

উপজেলার তাঁতীপাড়া গ্রামের মেহেদী হাসান সবুজের স্ত্রী মোসাঃ সোনীয়া জানান, তাঁর ১ম বাচ্চা নরমাল ডেলিভারি হওয়ায় খুব খুশি হয়েছেন। তিনি বলেন, সিজার করলে টাকাও বেশী খরচ হতো আমার ও বাচ্চার কষ্ট হতো।

মুশরীভূজা গ্রামের মোঃ টিপু সুলতানের স্ত্রী মোসাঃ বাকেরা বেগম জানান, আমার প্রথম বাচ্চা সিজার না করে নরমাল ডেলিভারি হওয়ায় আমরা খুব আনন্দিত।

ময়ামারী গ্রামের মোঃজাহিদুলের স্ত্রী মোসাঃ রোজিনার প্রথম বাচ্চা সিজার না করেই নরমাল ডেলিভারি হওয়ায় খুব খুশি হয়েছি। তিনি ভোলাহাট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মাহাবুব হাসান জানান, সিজারিয়ানের একজন মা ও শিশুর কি ধরনের ক্ষতি হয় তা তাঁরা জানেনা। আমরা তাঁদের জানোর জন্য কাউন্সিলিং করছি। এতে করে গত তিন মাসে ১’শ ২৯ মায়ের নরমাল ডেলিভারি করেছি। তিনি আরো বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন চিকিৎসক ও ৫জন মিড ওয়াইফ সার্বক্ষণিক নিয়োজিত আছেন। প্রসব ব্যাথা আসলে দ্রæত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসার অনুরোধ করেছেন।