শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চিরিরবন্দরে তেভাগা দিবস পালিত

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে তেভাগা দিবস উপলক্ষে স্মৃতিসৌধে ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ পূর্বক সংক্ষিপ্ত আলোচনা অনুষ্ঠান ও ঐতিহাসিক পাতাখেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ৪ জানুয়ারি বুধবার বিকাল সাড়ে ৩টায় উপজেলার ভিয়াইল ইউনিয়নের নানিয়াটিকর-বাজিতপুর গ্রামে তেভাগা স্মৃতিসৌধে ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ পূর্বক সংক্ষিপ্ত আলোচনা  সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে দিনাজপুর জেলা তেভাগা আন্দোলনের সদস্য সচিব এডভোকেট রেয়াজুল ইসলাম রাজু, দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দিনাজপুর নাট্য সমিতির সভাপতি চিত্তঘোষ, দিনাজপুর সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি সুলতান কামালউদ্দিন বাচ্চু, জেলা কমিউনিষ্ট পাটির সভাপতি এডভোকেট মেহেরুল ইসলাম, জেলা ওয়ার্কার্স পাটির সাধারণ সম্পাদক হবিবর রহমান, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, জেলা বাসদের সাধারণ সম্পাদক সারওয়ারুল জাহান ক্লিপ্টন, দিনাজপুর সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক রহমতুল্লাহ রহমত প্রমূখ বক্তব্য রাখেন। দিবসটি উপলক্ষে দিনাজপুর নাট্য সমিতিতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বেশ কয়েকটি কর্মসূচি পালন করা হয়।
উল্লেখ্য ফসলের অর্ধাংশের বদলে দুই-তৃতীয়াংশ লাভের দাবিতে ১৯৪৬ সালে তেভাগা আন্দোলন শুরু হয়েছিল। তৎকালীন বাংলার ২৬টি জেলার ২৪টি জেলার ৬০ লক্ষাধিক ক্ষেতমজুর এ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। তেভাগা আন্দোলন ছিল মূলত শ্রেণিহীন সমাজ-প্রতিষ্ঠার বিপ্লব। তেভাগা আন্দোলনের সম্মুখভাগে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন দিনাজপুরের হাজী মহম্মদ দানেশ। তিনিই ছিলেন তেভাগা আন্দোলনের জনক। এছাড়াও চিয়ার সাঁই, কমরেড মণি সিংহ, আলতাফ আলী, জহুরুদ্দিন মুনসী, মৌলবি আব্দুল হান্নান, ডাক্তার আব্দুল কাদের, তগনারায়ণ, রমেন মিত্র, ইলা মিত্র, কাছিম মিয়া, নুরজালাল, সিঁধু ও কানু প্রমূখ নেতৃবৃন্দ তেভাগা আন্দোলনকে বেগবান করেছিলেন।
জনপ্রিয়

অর্থসংকটে থেমে থাকা শ্মশান চুল্লির কাজ, নকশা বদলে শুরু স্থানীয়দের

চিরিরবন্দরে তেভাগা দিবস পালিত

প্রকাশের সময়: ০৭:১০:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৩
দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে তেভাগা দিবস উপলক্ষে স্মৃতিসৌধে ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ পূর্বক সংক্ষিপ্ত আলোচনা অনুষ্ঠান ও ঐতিহাসিক পাতাখেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ৪ জানুয়ারি বুধবার বিকাল সাড়ে ৩টায় উপজেলার ভিয়াইল ইউনিয়নের নানিয়াটিকর-বাজিতপুর গ্রামে তেভাগা স্মৃতিসৌধে ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ পূর্বক সংক্ষিপ্ত আলোচনা  সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে দিনাজপুর জেলা তেভাগা আন্দোলনের সদস্য সচিব এডভোকেট রেয়াজুল ইসলাম রাজু, দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দিনাজপুর নাট্য সমিতির সভাপতি চিত্তঘোষ, দিনাজপুর সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি সুলতান কামালউদ্দিন বাচ্চু, জেলা কমিউনিষ্ট পাটির সভাপতি এডভোকেট মেহেরুল ইসলাম, জেলা ওয়ার্কার্স পাটির সাধারণ সম্পাদক হবিবর রহমান, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, জেলা বাসদের সাধারণ সম্পাদক সারওয়ারুল জাহান ক্লিপ্টন, দিনাজপুর সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক রহমতুল্লাহ রহমত প্রমূখ বক্তব্য রাখেন। দিবসটি উপলক্ষে দিনাজপুর নাট্য সমিতিতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বেশ কয়েকটি কর্মসূচি পালন করা হয়।
উল্লেখ্য ফসলের অর্ধাংশের বদলে দুই-তৃতীয়াংশ লাভের দাবিতে ১৯৪৬ সালে তেভাগা আন্দোলন শুরু হয়েছিল। তৎকালীন বাংলার ২৬টি জেলার ২৪টি জেলার ৬০ লক্ষাধিক ক্ষেতমজুর এ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। তেভাগা আন্দোলন ছিল মূলত শ্রেণিহীন সমাজ-প্রতিষ্ঠার বিপ্লব। তেভাগা আন্দোলনের সম্মুখভাগে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন দিনাজপুরের হাজী মহম্মদ দানেশ। তিনিই ছিলেন তেভাগা আন্দোলনের জনক। এছাড়াও চিয়ার সাঁই, কমরেড মণি সিংহ, আলতাফ আলী, জহুরুদ্দিন মুনসী, মৌলবি আব্দুল হান্নান, ডাক্তার আব্দুল কাদের, তগনারায়ণ, রমেন মিত্র, ইলা মিত্র, কাছিম মিয়া, নুরজালাল, সিঁধু ও কানু প্রমূখ নেতৃবৃন্দ তেভাগা আন্দোলনকে বেগবান করেছিলেন।