রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাবনায় ভেজাল ওষুধ কারখানা সিলগালা

পাবনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে জয় ল্যাবরেটরিজ ইউনানী নামের একটি নকল ও ভেজাল ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সিলগালা করে দিয়েছে।
এসময় কারখানার মালিক আলী আজমকে (৪৫) এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। আলী আজম পাবনা পৌর সদরের শালগাড়িয়া মহল্লার মৃত আলী আকবরের ছেলে।
র‌্যাবের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, পাবনা সদর উপজেলার জালালপুর এলাকায় জয় ল্যাবরেটরিজ ইউনানী নামের একটি প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে ভেজাল ও নকল ওষুধ উৎপাদন করে আসছিল।
তাদের কারখানায় কোনো কেমিস্ট নেই। কারখানার বর্তমান মালিকের বাবা যখন কারখানা পরিচালনা করতেন তখন সেখানে ৮ম শ্রেণি পাস একজন কথিত কেমিস্ট ছিলেন।
কারখানায় বিভিন্ন গাছের লতাপাতা সিদ্ধ করে তাতে বিভিন্ন রাসায়নিক ও রং ব্যবহার করে কথিত ইউনানী ওষুধ উৎপাদিত হয়ে আসছিল। সেগুলো বাহারি রঙের মোড়কে পাবনা জেলাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিপণন করা হত।
র‌্যাব-১২ জানায়, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল ৬ জানয়িারি শুক্রবার ভোরে ওষুধ কোম্পানির জালালপুর হেড অফিসে অভিযান চালায়। এতে নেতৃত্ব দেন স্কোয়াড্রন লিডার তৌহিদুল মবিন খান ও সহকারী পুলিশ সুপার কিশোর রায়। এ সময় বিপুল পরিমাণ নকল ও ভেজাল ওষুধ জব্দ কর হয়।
জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর পাবনার সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। তিনি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৫২ ধারা মোতাবেক ওই প্রতিষ্ঠানের মালিকের কাছ থেকে নগদ এক লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেন।
র‌্যাবের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার তৌহিদুল মবিন খান জানান, প্রতিষ্ঠানটিতে দীর্ঘদিন ধরে নকল ইউনানী ওষুধ উৎপাদন করা হচ্ছিল।
জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর পাবনার সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি জানান, ওই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।
জনপ্রিয়

প্রকল্পনির্ভর উন্নয়নকর্মীদের অনিশ্চিত জীবন ও অবহেলিত কর্মসংস্থান

পাবনায় ভেজাল ওষুধ কারখানা সিলগালা

প্রকাশের সময়: ০৩:৩০:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৩
পাবনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে জয় ল্যাবরেটরিজ ইউনানী নামের একটি নকল ও ভেজাল ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সিলগালা করে দিয়েছে।
এসময় কারখানার মালিক আলী আজমকে (৪৫) এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। আলী আজম পাবনা পৌর সদরের শালগাড়িয়া মহল্লার মৃত আলী আকবরের ছেলে।
র‌্যাবের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, পাবনা সদর উপজেলার জালালপুর এলাকায় জয় ল্যাবরেটরিজ ইউনানী নামের একটি প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে ভেজাল ও নকল ওষুধ উৎপাদন করে আসছিল।
তাদের কারখানায় কোনো কেমিস্ট নেই। কারখানার বর্তমান মালিকের বাবা যখন কারখানা পরিচালনা করতেন তখন সেখানে ৮ম শ্রেণি পাস একজন কথিত কেমিস্ট ছিলেন।
কারখানায় বিভিন্ন গাছের লতাপাতা সিদ্ধ করে তাতে বিভিন্ন রাসায়নিক ও রং ব্যবহার করে কথিত ইউনানী ওষুধ উৎপাদিত হয়ে আসছিল। সেগুলো বাহারি রঙের মোড়কে পাবনা জেলাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিপণন করা হত।
র‌্যাব-১২ জানায়, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল ৬ জানয়িারি শুক্রবার ভোরে ওষুধ কোম্পানির জালালপুর হেড অফিসে অভিযান চালায়। এতে নেতৃত্ব দেন স্কোয়াড্রন লিডার তৌহিদুল মবিন খান ও সহকারী পুলিশ সুপার কিশোর রায়। এ সময় বিপুল পরিমাণ নকল ও ভেজাল ওষুধ জব্দ কর হয়।
জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর পাবনার সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। তিনি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৫২ ধারা মোতাবেক ওই প্রতিষ্ঠানের মালিকের কাছ থেকে নগদ এক লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেন।
র‌্যাবের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার তৌহিদুল মবিন খান জানান, প্রতিষ্ঠানটিতে দীর্ঘদিন ধরে নকল ইউনানী ওষুধ উৎপাদন করা হচ্ছিল।
জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর পাবনার সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি জানান, ওই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।