শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজার সদর হাসপাতালে আগুন

কক্সবাজার সদর হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চিকিৎসাধীন এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আগুন আতঙ্কে ছুটোছুটি করতে গিয়ে আহত হয়েছেন অর্ধ শতাধিকের বেশি মানুষ।বুধবার (২৭ জানুয়ারি) বিকাল ৫টার পর হাসপাতালের নিচতলা থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এতে চিকিৎসার অভাবে চিকিৎসাধীন এক রোহিঙ্গা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতাল কৃর্তপক্ষ এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা আগুনের সূত্রপাত কি কারণে তা নিশ্চিত করতে পারেননি। একই সঙ্গে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও এখনো নিশ্চিত বলতে পারেননি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাসপাতালের নিচতলার ১২১ নম্বর কক্ষটি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ওই কক্ষ বিভিন্ন সরঞ্জাম মজুদ রাখা ছিলো। খবর পেয়ে কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট, রামু স্টেশনের একটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। এসময় হাসপাতালে ২য় তলা থেকে ৫ম তলা পর্যন্ত চিকিৎসাধীন রোগী ও স্বজনরা ছুটাছুটি করে বের হওয়া শুরু করে। এসময় ৫০ জনেরও বেশ আহত হন। রোগীদের অনেককেই বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হলেও, বেশিরভাগ রোগী হাসপাতালের আশেপাশে অবস্থান করেন। এসময় অক্সিজেনের অভাবে মারা গেছেন এক রোহিঙ্গা বৃদ্ধ।

ক্ষয় ক্ষতি এবং আগুনের সূত্রপাত নির্ধারণে তদন্ত চলছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

জনপ্রিয়

নন্দীগ্রামে খাস জায়গা জবরদখল করে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার অভিযোগ

কক্সবাজার সদর হাসপাতালে আগুন

প্রকাশের সময়: ১০:১০:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২১

কক্সবাজার সদর হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চিকিৎসাধীন এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আগুন আতঙ্কে ছুটোছুটি করতে গিয়ে আহত হয়েছেন অর্ধ শতাধিকের বেশি মানুষ।বুধবার (২৭ জানুয়ারি) বিকাল ৫টার পর হাসপাতালের নিচতলা থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এতে চিকিৎসার অভাবে চিকিৎসাধীন এক রোহিঙ্গা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতাল কৃর্তপক্ষ এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা আগুনের সূত্রপাত কি কারণে তা নিশ্চিত করতে পারেননি। একই সঙ্গে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও এখনো নিশ্চিত বলতে পারেননি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাসপাতালের নিচতলার ১২১ নম্বর কক্ষটি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ওই কক্ষ বিভিন্ন সরঞ্জাম মজুদ রাখা ছিলো। খবর পেয়ে কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট, রামু স্টেশনের একটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। এসময় হাসপাতালে ২য় তলা থেকে ৫ম তলা পর্যন্ত চিকিৎসাধীন রোগী ও স্বজনরা ছুটাছুটি করে বের হওয়া শুরু করে। এসময় ৫০ জনেরও বেশ আহত হন। রোগীদের অনেককেই বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হলেও, বেশিরভাগ রোগী হাসপাতালের আশেপাশে অবস্থান করেন। এসময় অক্সিজেনের অভাবে মারা গেছেন এক রোহিঙ্গা বৃদ্ধ।

ক্ষয় ক্ষতি এবং আগুনের সূত্রপাত নির্ধারণে তদন্ত চলছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।