শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রূপগঞ্জে চেয়ারম্যান হত্যা মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন  

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আলোচিত কায়েতপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিন হত্যা মামলায় ২২ বছর পর নূর  আহাম্মদ ও আবুল কালাম নামের দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
রোববার (৬ আগস্ট) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ নারায়ণগঞ্জ এর বিচারক শাম্মী আক্তার এ রায় দেন। এছাড়া নূর আহাম্মদকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করা। অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়। এ রায়ে ১৫ জনকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।
রায়ের সময়ে আবুল কালাম আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন।  সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- উপজেলার ইছাখালী এলাকার আবুল কালাম ও নগরপাড়া এলাকার নূর আহাম্মদ।
নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান, আদালতে সাক্ষ্যর দীর্ঘ শুনানি, যুক্তি তর্ক শেষে দুইজনের যাব্বজীবন সাজার আদেশ দেয়া হয়েছে। সেই সাথে ১৫ জনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
২০০১ সালের ১৪ নভেম্বর কায়েতপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিন ঢাকা থেকে রূপগঞ্জে ফিরে রিকশায় করে বাড়ি যাচ্ছিলেন। পথে ইসাখালি গ্রামের ইসলাম হাজীর বাড়ির পাশে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরের দিন নিহতের ছেলে সোহেল আহমেদ বাদি হয়ে রূপগঞ্জ থানায় ১৭ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
জনপ্রিয়

রূপগঞ্জে চেয়ারম্যান হত্যা মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন  

প্রকাশের সময়: ০৭:০৮:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৩
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আলোচিত কায়েতপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিন হত্যা মামলায় ২২ বছর পর নূর  আহাম্মদ ও আবুল কালাম নামের দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
রোববার (৬ আগস্ট) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ নারায়ণগঞ্জ এর বিচারক শাম্মী আক্তার এ রায় দেন। এছাড়া নূর আহাম্মদকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করা। অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়। এ রায়ে ১৫ জনকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।
রায়ের সময়ে আবুল কালাম আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন।  সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- উপজেলার ইছাখালী এলাকার আবুল কালাম ও নগরপাড়া এলাকার নূর আহাম্মদ।
নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান, আদালতে সাক্ষ্যর দীর্ঘ শুনানি, যুক্তি তর্ক শেষে দুইজনের যাব্বজীবন সাজার আদেশ দেয়া হয়েছে। সেই সাথে ১৫ জনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
২০০১ সালের ১৪ নভেম্বর কায়েতপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিন ঢাকা থেকে রূপগঞ্জে ফিরে রিকশায় করে বাড়ি যাচ্ছিলেন। পথে ইসাখালি গ্রামের ইসলাম হাজীর বাড়ির পাশে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরের দিন নিহতের ছেলে সোহেল আহমেদ বাদি হয়ে রূপগঞ্জ থানায় ১৭ জনকে আসামি করে মামলা করেন।