বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রংপুর বিভাগের শ্রেষ্ঠ ইউএনও রাসেদুল হাসান

প্রাথমিক শিক্ষায় বিশেষ অবদান রাখায় এ বছর রংপুর বিভাগে শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নির্বাচিত ও জেলায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৩ পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন কুড়িগ্রাম সদর ইউএনও মো. রাসেদুল হাসান।
বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর ) বিষয়টি জানিয়েছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. নবেজ উদ্দিন। প্রতি বছর জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক দেওয়া হয়ে থাকে। তবে মাঝে দুই বছর করোনার কারণে এ পদক প্রদান বন্ধ ছিল।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাশিদুল হাসান জাগো২৪.নেট-কে বলেন, আমি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় দুই বছর ধরে কাজ করছি। আসলে আমি চেষ্টা করেছি শিক্ষা নিয়ে কাজ করার। আপনারা জানেন শিক্ষার জন্য আমি সদরের যাত্রাপুরের একটি চরাঞ্চলে স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছি।
তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষা উপকরণ ও শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য কাজ করেছি।ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থীদের পাঠদান উন্নয়নসহ খোঁজ খবর ও সহযোগিতা প্রদানের ব্যাপারে দায়িত্ববোধ থেকে কাজ করেছি।আমি চাই শিক্ষায় কুড়িগ্রাম আরও এগিয়ে যাক এটাই আমার প্রত্যাশা।
জনপ্রিয়

রংপুর বিভাগের শ্রেষ্ঠ ইউএনও রাসেদুল হাসান

প্রকাশের সময়: ০৯:১২:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৩
প্রাথমিক শিক্ষায় বিশেষ অবদান রাখায় এ বছর রংপুর বিভাগে শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নির্বাচিত ও জেলায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৩ পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন কুড়িগ্রাম সদর ইউএনও মো. রাসেদুল হাসান।
বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর ) বিষয়টি জানিয়েছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. নবেজ উদ্দিন। প্রতি বছর জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক দেওয়া হয়ে থাকে। তবে মাঝে দুই বছর করোনার কারণে এ পদক প্রদান বন্ধ ছিল।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাশিদুল হাসান জাগো২৪.নেট-কে বলেন, আমি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় দুই বছর ধরে কাজ করছি। আসলে আমি চেষ্টা করেছি শিক্ষা নিয়ে কাজ করার। আপনারা জানেন শিক্ষার জন্য আমি সদরের যাত্রাপুরের একটি চরাঞ্চলে স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছি।
তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষা উপকরণ ও শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য কাজ করেছি।ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থীদের পাঠদান উন্নয়নসহ খোঁজ খবর ও সহযোগিতা প্রদানের ব্যাপারে দায়িত্ববোধ থেকে কাজ করেছি।আমি চাই শিক্ষায় কুড়িগ্রাম আরও এগিয়ে যাক এটাই আমার প্রত্যাশা।