শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় স্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বামীর নির্যাতন মামলা

গাইবান্ধা আমলি আদালতে চন্দনা রানী প্রতিমা (৩২) নামের এক নারীর বিরুদ্ধে নির্যাতন মামলা করেছে তার স্বামী রবীন্দ্র নাথ কর্মকার (৪২)। এই মামলা আমলে নিয়ে আসামির বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন বিচারক জান্নাতুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ আমলি আদালতে এই মামলা দায়ের হয়।

মামলার বাদি রবীন্দ্র নাথ কর্মকার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দত্তপাড়া গ্রামের মৃত যোগেশ চন্দ্র কর্মকারের ছেলে।

বাদি তার এজাহারে উল্লেখ করেন, ওই উপজেলার বামন জল গ্রামের সুরেশ চন্দ্রের মেয়ে চন্দনা রানী প্রতিমাকে দেড়যুগ আগে বিয়ে করেন। এরই মধ্যে রবীন্দ্র নাথ কর্মকারের কাছে ৩৫ শতক জমি লিখে চাওয়াসহ ৩০ লাখ যৌতুক দাবি করেন চন্দনা রানী প্রতিমা। এ নিয়ে প্রায়ই স্বামীকে মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছিলেন এই নারী। এছাড়াও বিভিন্ন অভিযোগ প্রতিমার বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে বাদি রবীন্দ্র নাথ কর্মকার বলেন, আমার স্ত্রী চন্দনা রানী প্রতিমা খুবই বদ মেজাজের। জমি লিখে চাওয়াসহ আমাদের কাছে ৩০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। এসব না দিলে সংসার করবে না বলেও আমাকে হুমকি দেয়। তাই তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার জন্য আদালতে মামলা করেছি।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত চন্দনা রানী প্রতিমার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাদির আইনজীবি গাইবান্ধা জেলা জজ কোর্টের অ্যাডভোকেট আবেদুর রহমান বলেন, বিচারকের জারি করা সমনের ভিত্তিতে পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

জনপ্রিয়

গাইবান্ধায় স্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বামীর নির্যাতন মামলা

প্রকাশের সময়: ০৬:০২:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৪

গাইবান্ধা আমলি আদালতে চন্দনা রানী প্রতিমা (৩২) নামের এক নারীর বিরুদ্ধে নির্যাতন মামলা করেছে তার স্বামী রবীন্দ্র নাথ কর্মকার (৪২)। এই মামলা আমলে নিয়ে আসামির বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন বিচারক জান্নাতুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ আমলি আদালতে এই মামলা দায়ের হয়।

মামলার বাদি রবীন্দ্র নাথ কর্মকার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দত্তপাড়া গ্রামের মৃত যোগেশ চন্দ্র কর্মকারের ছেলে।

বাদি তার এজাহারে উল্লেখ করেন, ওই উপজেলার বামন জল গ্রামের সুরেশ চন্দ্রের মেয়ে চন্দনা রানী প্রতিমাকে দেড়যুগ আগে বিয়ে করেন। এরই মধ্যে রবীন্দ্র নাথ কর্মকারের কাছে ৩৫ শতক জমি লিখে চাওয়াসহ ৩০ লাখ যৌতুক দাবি করেন চন্দনা রানী প্রতিমা। এ নিয়ে প্রায়ই স্বামীকে মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছিলেন এই নারী। এছাড়াও বিভিন্ন অভিযোগ প্রতিমার বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে বাদি রবীন্দ্র নাথ কর্মকার বলেন, আমার স্ত্রী চন্দনা রানী প্রতিমা খুবই বদ মেজাজের। জমি লিখে চাওয়াসহ আমাদের কাছে ৩০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। এসব না দিলে সংসার করবে না বলেও আমাকে হুমকি দেয়। তাই তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার জন্য আদালতে মামলা করেছি।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত চন্দনা রানী প্রতিমার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাদির আইনজীবি গাইবান্ধা জেলা জজ কোর্টের অ্যাডভোকেট আবেদুর রহমান বলেন, বিচারকের জারি করা সমনের ভিত্তিতে পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।