রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে গুঁড়া হলুদ মিলে অভিযান, দেড় লাখ টাকা জরিমানা

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার গুঁড়া হলুদ মিলে অভিযান চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এসময় রং মিশ্রিত ভেজাল হলুদ উৎপাদনের দায়ে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

‎রোববার (২৪ মে) দুপুরে গাইবান্ধা জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক পরেশ চন্দ্র বর্মনের নেতৃত্বে পুলিশ ও র‍্যাবের সহযোগিতায় উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের বড় ছত্রগাছা গ্রামের আব্দুল খালেকের হলুদ ভাঙা মিলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

‎স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার কয়েকটি মিলে কাঠের গুঁড়া ও ক্ষতিকর রাসায়নিক রং মিশিয়ে হলুদ উৎপাদন করে বাজারজাত করার অভিযোগ রয়েছে। এমন অভিযোগের ভিত্তিতেই এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

গাইবান্ধা জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক পরেশ চন্দ্র বর্মন বলেন, অভিযান চলাকালে খাদ্যে ব্যবহারের অনুপযোগী রং ও অন্যান্য ভেজাল উপাদান ব্যবহার করে হলুদ গুঁড়া প্রস্তুতের অভিযোগে মিল থেকে বিভিন্ন উপকরণ জব্দ করা হয়। পরে সেগুলো ধ্বংস করা হয় এবং মিল মালিককে ভোক্তা অধিকার আইনে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

জনপ্রিয়

সাদুল্লাপুরে গুঁড়া হলুদ মিলে অভিযান, দেড় লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশের সময়: ০৬:৩১:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার গুঁড়া হলুদ মিলে অভিযান চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এসময় রং মিশ্রিত ভেজাল হলুদ উৎপাদনের দায়ে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

‎রোববার (২৪ মে) দুপুরে গাইবান্ধা জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক পরেশ চন্দ্র বর্মনের নেতৃত্বে পুলিশ ও র‍্যাবের সহযোগিতায় উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের বড় ছত্রগাছা গ্রামের আব্দুল খালেকের হলুদ ভাঙা মিলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

‎স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার কয়েকটি মিলে কাঠের গুঁড়া ও ক্ষতিকর রাসায়নিক রং মিশিয়ে হলুদ উৎপাদন করে বাজারজাত করার অভিযোগ রয়েছে। এমন অভিযোগের ভিত্তিতেই এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

গাইবান্ধা জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক পরেশ চন্দ্র বর্মন বলেন, অভিযান চলাকালে খাদ্যে ব্যবহারের অনুপযোগী রং ও অন্যান্য ভেজাল উপাদান ব্যবহার করে হলুদ গুঁড়া প্রস্তুতের অভিযোগে মিল থেকে বিভিন্ন উপকরণ জব্দ করা হয়। পরে সেগুলো ধ্বংস করা হয় এবং মিল মালিককে ভোক্তা অধিকার আইনে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।