বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামলা-ভাঙচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও সরকারি কাজে বাধা প্রদানের ঘটনায় নিরাপত্তা নিশ্চিত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ফারহানা বিনতে ফারুক, মেডিকেল অফিসার ডা. মো. সাইদুর রহমান, সিনিয়র স্টাফ নার্স মো. ফজলুল হক সরকার, সিনিয়র স্টাফ নার্স রেবা রাণী বসুনীয়া প্রমুখ। এতে হাসপাতালের চিকিৎসক, সিনিয়র স্টাফ নার্স, মিডওয়াইফ, ফার্মাসিস্ট, টেকনোলজিস্ট, অফিস স্টাফ, হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট ও সিএইচসিপিসহ সকল স্বাস্থ্যকর্মী অংশ নেন।

বক্তারা বলেন, ঈদুল আজহার পরদিন গত ২৯ মে বিকেলে জরুরি বিভাগে এক শিশুর চিকিৎসা চলাকালে রোগীর স্বজনরা চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন। একপর্যায়ে আরও লোকজন ডেকে এনে হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটানো হয়। এতে হাসপাতালের চেয়ার-টেবিল ও দরজা ভাঙচুর করা হয় এবং দুইজন কর্মচারী আহত হন।

তারা বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।

এদিকে ঘটনার পর থেকে নিরাপত্তাহীনতার কারণে গত দুদিন ধরে হাসপাতালের বহির্বিভাগের সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ফারহানা বিনতে ফারুক বলেন, ‘হাসপাতালে দায়িত্ব পালনরত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। যেসব আসামির নাম এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা না হলে বহির্বিভাগের সেবা চালু করা হবে না।’

এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। দুইজনকে আসামি করে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

উল্লেখ্য, গত ২৯ মে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা সেবা প্রদানকালে এ হামলার ঘটনা ঘটে। পরে দুজনের নাম উল্লেখ করে মেডিকেল অফিসার ডা. মো. সাইদুর রহমান থানায় এজাহার দাখিল করেন এবং পরবর্তীতে ১ জুন থানায় মামলা রুজু হয়।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামলা-ভাঙচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন

প্রকাশের সময়: ০৫:২৩:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও সরকারি কাজে বাধা প্রদানের ঘটনায় নিরাপত্তা নিশ্চিত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ফারহানা বিনতে ফারুক, মেডিকেল অফিসার ডা. মো. সাইদুর রহমান, সিনিয়র স্টাফ নার্স মো. ফজলুল হক সরকার, সিনিয়র স্টাফ নার্স রেবা রাণী বসুনীয়া প্রমুখ। এতে হাসপাতালের চিকিৎসক, সিনিয়র স্টাফ নার্স, মিডওয়াইফ, ফার্মাসিস্ট, টেকনোলজিস্ট, অফিস স্টাফ, হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট ও সিএইচসিপিসহ সকল স্বাস্থ্যকর্মী অংশ নেন।

বক্তারা বলেন, ঈদুল আজহার পরদিন গত ২৯ মে বিকেলে জরুরি বিভাগে এক শিশুর চিকিৎসা চলাকালে রোগীর স্বজনরা চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন। একপর্যায়ে আরও লোকজন ডেকে এনে হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটানো হয়। এতে হাসপাতালের চেয়ার-টেবিল ও দরজা ভাঙচুর করা হয় এবং দুইজন কর্মচারী আহত হন।

তারা বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।

এদিকে ঘটনার পর থেকে নিরাপত্তাহীনতার কারণে গত দুদিন ধরে হাসপাতালের বহির্বিভাগের সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ফারহানা বিনতে ফারুক বলেন, ‘হাসপাতালে দায়িত্ব পালনরত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। যেসব আসামির নাম এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা না হলে বহির্বিভাগের সেবা চালু করা হবে না।’

এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। দুইজনকে আসামি করে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

উল্লেখ্য, গত ২৯ মে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা সেবা প্রদানকালে এ হামলার ঘটনা ঘটে। পরে দুজনের নাম উল্লেখ করে মেডিকেল অফিসার ডা. মো. সাইদুর রহমান থানায় এজাহার দাখিল করেন এবং পরবর্তীতে ১ জুন থানায় মামলা রুজু হয়।