গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার বুজরুক রসুলপুর দাখিল মাদরাসার তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছে। এ মাদরাসার জুনিয়র শিক্ষক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ ওঠেছে।
এ ঘটনাকে ঘিরে সোমবার (২৬ জুলাই) পর্যন্ত ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারসহ এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জুলাই তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রী ওই মাদরাসায় পাঠগ্রহণ করতে যায়। এরই মধ্যে সুযোগ বুঝে শিক্ষক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তা এ ছাত্রীর শরীরে বিভিন্নভাবে স্পর্শ করে। এরপর ছুটি শেষে বাড়ি ফিরে তার পিতা-মাতাকে ঘটনাটি জানায়। কিছুক্ষণ পর এলাকাবাসীর মধ্যে জানাজানি হলে তাদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এরপর স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তি ঘটনাটি সমাধার নামে আর্থিক বাণিজ্যের চেষ্টা অব্যাহত রাখছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। সেইসঙ্গে দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
মাদরাসাটির সভাপতি আল মামুন মন্ডল জানান, আমাদের প্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগের বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।
বুজরুক রসুলপুর দাখিল মাদরাসার সুপার (ভারপ্রাপ্ত) নুরুন্নবী মিয়া বলেন, শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির ঘটনায় রোববার (২৫ জুলাই) কমিটি নিয়ে বসা হয়। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 

















