বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঘাগোয়ায় মানবিক সহায়তা তহবিলের মাস্ক বিতরণ

‘‘এক সাথে লড়ি, এক সাথে বাঁচি” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে অদৃশ্য জীবাণু করোনা মোকাবেলা ও জন-সচেনতা তৈরির লক্ষে গাইবান্ধা সদর উপজেলার ঘাগোয়া ইউনিয়নের উত্তর ঘাগোয়া গ্রামে মাতৃমন্দির প্রাঙ্গণে মাস্ক বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

সোমবার শ্রমজীবী সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তা তহবিলের পক্ষে এ মাস্ক বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মাস্ক বিরতণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর কেন্দ্রীয় সদস্য রনজু হাসান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষক খেত-মজুর সমিতির দারিয়াপুর অঞ্চল শাখার আহ্বায়ক কমরেড নাজিম উদ্দিন, মো. মোজাহার আলী ( মন্টু), শৈলাস চন্দ্র মহন্ত, জাকিরুল ইসলাম, সেলিম হাসানসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।

বক্তারা বলেন, করোনার প্রভাবে দেশে বেকারত্ব বেড়েছে। বেড়েছে দারিদ্রতা। অনেকে সংসারের খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন। সংক্রমণ বেড়ে যাওয়া ও সমন্বয়হীন লকডাউনের কারণে পরিস্থিতি অবনতি হচ্ছে, মানুষের কষ্ট বাড়ছে। আয় এবং কাজ হারানো মানুষের জন্য রাষ্ট্রের পর্যাপ্ত সহায়তার উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ বরাদ্দ নেই। দুর্নীতি লুটপাট বন্ধের আহ্বান জানিয়ে, অবিলম্বে ঘরে ঘরে খোঁজ নিয়ে-বিনামূল্যে খাদ্য, নগদ অর্থ ও চিকিৎসার ব্যাবস্হা করার জোর দাবি জানা হয়।

জনপ্রিয়

ঘাগোয়ায় মানবিক সহায়তা তহবিলের মাস্ক বিতরণ

প্রকাশের সময়: ০৫:৫০:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ অগাস্ট ২০২১

‘‘এক সাথে লড়ি, এক সাথে বাঁচি” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে অদৃশ্য জীবাণু করোনা মোকাবেলা ও জন-সচেনতা তৈরির লক্ষে গাইবান্ধা সদর উপজেলার ঘাগোয়া ইউনিয়নের উত্তর ঘাগোয়া গ্রামে মাতৃমন্দির প্রাঙ্গণে মাস্ক বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

সোমবার শ্রমজীবী সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তা তহবিলের পক্ষে এ মাস্ক বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মাস্ক বিরতণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর কেন্দ্রীয় সদস্য রনজু হাসান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষক খেত-মজুর সমিতির দারিয়াপুর অঞ্চল শাখার আহ্বায়ক কমরেড নাজিম উদ্দিন, মো. মোজাহার আলী ( মন্টু), শৈলাস চন্দ্র মহন্ত, জাকিরুল ইসলাম, সেলিম হাসানসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।

বক্তারা বলেন, করোনার প্রভাবে দেশে বেকারত্ব বেড়েছে। বেড়েছে দারিদ্রতা। অনেকে সংসারের খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন। সংক্রমণ বেড়ে যাওয়া ও সমন্বয়হীন লকডাউনের কারণে পরিস্থিতি অবনতি হচ্ছে, মানুষের কষ্ট বাড়ছে। আয় এবং কাজ হারানো মানুষের জন্য রাষ্ট্রের পর্যাপ্ত সহায়তার উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ বরাদ্দ নেই। দুর্নীতি লুটপাট বন্ধের আহ্বান জানিয়ে, অবিলম্বে ঘরে ঘরে খোঁজ নিয়ে-বিনামূল্যে খাদ্য, নগদ অর্থ ও চিকিৎসার ব্যাবস্হা করার জোর দাবি জানা হয়।