বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় ভুয়া এমবিবিএস ডাক্তার গ্রেফতার

গাইবান্ধা সদর উপজেলা থেকে এমদাদুল হক (৫০) নামের এক ভুয়া এমবিবিএস ডাক্তার গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এমদাদুল কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার নাখারগঞ্জ চওড়াটারী গ্রামের ময়েন উদ্দীনের ছেলে।

মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যায় সুন্দরগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বুলবুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে। এর আগে মঙ্গলবার ভোর বেলা অভিযান চালিয়ে সদর উপজেলার মালিবাড়ী বাজার নামকস্থান থেকে এমদাদুল হককে গ্রেফতার করা হয়।

থানা সুত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত এমদাদুল হক দীর্ঘদিন ধরে জামাল হোসেন নাম ব্যবহার করে নিজেকে এমবিবিএস, এফসিপিএস (ফিজিক্যাল এণ্ড রিহ্যাবিলিটেশন) ডাক্তার পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ক্লিনিক ও ফার্মেসিতে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছিলেন। চাকুরি দেয়ার নাম করে বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে প্রতারণা করছিলেন।

এছাড়া বৃহস্পতিবার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত কেমিকো ফার্মাসিটিকেল লিমিটেডের মেডিকেল প্রোটাকশন অফিসার জুলফিকার হাবিবের মোটরসাইকেল নিয়ে এক ফার্মেসি থেকে ওষুধ আনার কথা বলে পালিয়ে গেলে পরদিন শুক্রবার ডাক্তার এমদাদুল হকের বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ করেন।

এ অভিযোগের তদন্তান্তে পুলিশ জানতে পারেন তিনি একজন ভূয়া ডাক্তার। তার কোন ডাক্তারী সার্টিফিকেট নেই। তিনি একসময় ঢাকায় এক ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে কর্মচারি হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।

সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহিল জামান জাগো২৪.নেট-কে জানান, গ্রেফতারকৃত এমদাদুলকে মঙ্গলবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

জনপ্রিয়

গাইবান্ধায় ভুয়া এমবিবিএস ডাক্তার গ্রেফতার

প্রকাশের সময়: ০৮:৪০:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অগাস্ট ২০২১

গাইবান্ধা সদর উপজেলা থেকে এমদাদুল হক (৫০) নামের এক ভুয়া এমবিবিএস ডাক্তার গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এমদাদুল কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার নাখারগঞ্জ চওড়াটারী গ্রামের ময়েন উদ্দীনের ছেলে।

মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যায় সুন্দরগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বুলবুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে। এর আগে মঙ্গলবার ভোর বেলা অভিযান চালিয়ে সদর উপজেলার মালিবাড়ী বাজার নামকস্থান থেকে এমদাদুল হককে গ্রেফতার করা হয়।

থানা সুত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত এমদাদুল হক দীর্ঘদিন ধরে জামাল হোসেন নাম ব্যবহার করে নিজেকে এমবিবিএস, এফসিপিএস (ফিজিক্যাল এণ্ড রিহ্যাবিলিটেশন) ডাক্তার পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ক্লিনিক ও ফার্মেসিতে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছিলেন। চাকুরি দেয়ার নাম করে বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে প্রতারণা করছিলেন।

এছাড়া বৃহস্পতিবার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত কেমিকো ফার্মাসিটিকেল লিমিটেডের মেডিকেল প্রোটাকশন অফিসার জুলফিকার হাবিবের মোটরসাইকেল নিয়ে এক ফার্মেসি থেকে ওষুধ আনার কথা বলে পালিয়ে গেলে পরদিন শুক্রবার ডাক্তার এমদাদুল হকের বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ করেন।

এ অভিযোগের তদন্তান্তে পুলিশ জানতে পারেন তিনি একজন ভূয়া ডাক্তার। তার কোন ডাক্তারী সার্টিফিকেট নেই। তিনি একসময় ঢাকায় এক ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে কর্মচারি হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।

সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহিল জামান জাগো২৪.নেট-কে জানান, গ্রেফতারকৃত এমদাদুলকে মঙ্গলবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।