বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খানসামায় নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলা নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নির্মিত রাস্তাটিতে পিচ ঢালাইয়ের ৭ দিনের মাথায় তা উঠে যাচ্ছে। এলাকাবাসী এনিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে পুনরায় রাস্তা সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।

জানা গেছে, উপজেলার আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের যুগীপাড়ার মোড় হতে মাঝাপাড়ার যাওয়ার ৫১৫ মিটার রাস্তা পাকাকরণে ৪২ লাখ টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের অধীনে এ রাস্তার কাজ করেন ঠিকাদার আক্কাস আলী।

সরেজমিনে গিয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, পাকা রাস্তা নির্মাণে কাজ শুরুর পর থেকেই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় লোকজন একাধিকবার ওই ঠিকাদারকে জানালেও তিনি তাদের অভিযোগকে গুরুত্ব না দিয়ে বর্ষার মধ্যে তাড়াহুড়ো করে কাজ শেষ করেন। কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার ৬/৭ দিন পর হতেই ওই রাস্তার পিচে হাত দিলেই তা উঠে যাচ্ছে। এছাড়াও রাস্তা দিয়ে হালকা যানবাহনের চাপেই উঠে যাচ্ছে রাস্তার পিচ। আবার সেই রাস্তায় ঠিক মত রোলার ব্যবহার না করায় রাস্তাটি বেশ কয়েকটি জায়গায় উঁচু-নিচু হয়েছে।

ওই এলাকার ধনেশ্বর রায় জানান, পিচ ঢালাইয়ের সময় সেখানে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। ঠিকাদারকে বারংবার বলা সত্বেও কোন সাড়া দেয়নি। ফলে এখন পিচ উঠে যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে ঠিকাদার আক্কাস আলীর মুঠোফোনে রাস্তা নির্মাণের অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেন।

দায়িত্বরত উপ-সহকারী প্রকৌশলী তাপস কুমার বাগচি বলেন, রাস্তাটি দ্রæত সময়ের মধ্যে সংস্কারের জন্য ঠিকাদারকে বলা হয়েছে।

রাস্তার কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও পিচ উঠে যাওয়ার অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তা প্রকৌশলী হারুন-অর-রশিদ জানান, বর্ষাকালে রাস্তার পিচের কাজ করার বিষেেয় নিষেধ করা সত্তে¡ও ঠিকাদার জোরপ‚র্বক তা করেন। পুনরায় রাস্তা সংস্কার না করা পর্যন্ত কাজের বিল প্রদান করা হবে না

জনপ্রিয়

খানসামায় নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ

প্রকাশের সময়: ০৬:৫৭:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ অগাস্ট ২০২১

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলা নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নির্মিত রাস্তাটিতে পিচ ঢালাইয়ের ৭ দিনের মাথায় তা উঠে যাচ্ছে। এলাকাবাসী এনিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে পুনরায় রাস্তা সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।

জানা গেছে, উপজেলার আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের যুগীপাড়ার মোড় হতে মাঝাপাড়ার যাওয়ার ৫১৫ মিটার রাস্তা পাকাকরণে ৪২ লাখ টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের অধীনে এ রাস্তার কাজ করেন ঠিকাদার আক্কাস আলী।

সরেজমিনে গিয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, পাকা রাস্তা নির্মাণে কাজ শুরুর পর থেকেই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় লোকজন একাধিকবার ওই ঠিকাদারকে জানালেও তিনি তাদের অভিযোগকে গুরুত্ব না দিয়ে বর্ষার মধ্যে তাড়াহুড়ো করে কাজ শেষ করেন। কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার ৬/৭ দিন পর হতেই ওই রাস্তার পিচে হাত দিলেই তা উঠে যাচ্ছে। এছাড়াও রাস্তা দিয়ে হালকা যানবাহনের চাপেই উঠে যাচ্ছে রাস্তার পিচ। আবার সেই রাস্তায় ঠিক মত রোলার ব্যবহার না করায় রাস্তাটি বেশ কয়েকটি জায়গায় উঁচু-নিচু হয়েছে।

ওই এলাকার ধনেশ্বর রায় জানান, পিচ ঢালাইয়ের সময় সেখানে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। ঠিকাদারকে বারংবার বলা সত্বেও কোন সাড়া দেয়নি। ফলে এখন পিচ উঠে যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে ঠিকাদার আক্কাস আলীর মুঠোফোনে রাস্তা নির্মাণের অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেন।

দায়িত্বরত উপ-সহকারী প্রকৌশলী তাপস কুমার বাগচি বলেন, রাস্তাটি দ্রæত সময়ের মধ্যে সংস্কারের জন্য ঠিকাদারকে বলা হয়েছে।

রাস্তার কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও পিচ উঠে যাওয়ার অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তা প্রকৌশলী হারুন-অর-রশিদ জানান, বর্ষাকালে রাস্তার পিচের কাজ করার বিষেেয় নিষেধ করা সত্তে¡ও ঠিকাদার জোরপ‚র্বক তা করেন। পুনরায় রাস্তা সংস্কার না করা পর্যন্ত কাজের বিল প্রদান করা হবে না