শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে বসতবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় জমাজমি সংক্রান্ত বিরোধে জহুরুল ইসলাম (৫১) নামের এক ব্যক্তির বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিপক্ষ মাহাবুর মিয়া (৫৬) গংদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

সোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে যাওয়া হলে ওই মামলার বিবরণে জানা যায়, উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়নের মধ্য হাট বামুনি গ্রামের মৃত  আজিজুল হকের ছেলে জহুরুল ইসলামের ভাগিশরিক মৃত কছির উদ্দিনের ছেলে মাহাবুর মিয়া ও মৃত দোল্লক উদ্দিনের ছেলে আমির হোসেন গংদের সঙ্গে জমাজমি নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এরই একপার্যায়ে ২৭ জুলাই সকালে জহুরুল ইসলাম বাড়িতে না থাকার সুযোগে পুর্বপরিকল্পিভাবে মাহাবুর মিয়া তার লোকজন নিয়ে জহুরুলের বসতবাড়িতে হামলা চালায়। এসময় তার ঘরবাড়ি ভাঙচুর করা শেষে ঘরে থাকা নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, পুকুরের মাছ নিধন করাসহ প্রায় আড়াই লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। এতে জহুরুলের স্ত্রী আজিনা বেগম বাধা দিলে হামলাকারিরা দা-কুড়াল উঁচিয়ে হত্যার হুমকি দেয় এবং ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। এ টাকা না দিলে জোরপুর্বক জমি দখলেরও হুমকি দেয় তারা। তাদের এমন উত্তেজনার কারণে প্রাণের ভয়ে আর মুখ খোলার সাহস পায়নি আরজিনা বেগম।

ভুক্তভোগি জহুরুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, মাহাবুর মিয়া গংদের হামলায় ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় ১০ আগস্ট গাইবান্ধা বিজ্ঞ আমলী আদালতে মামলা দায়ের করা হয়।

তিনি আরও বলেন, আদালতে মামলা করার খবর জেনে আসামিরা মামলা তুলে নেয়াসহ প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলেছে। যে কোন মুহূর্তে আবারও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে পারে বলে ধরাণা করা হচ্ছে। যার ফলে পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

উল্লেখিত ঘটনা অস্বীকার করে বিবাদী আমির হোসেন বলেন, আমাদের নামীয় জমি জহুরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছে। এ জমি উদ্ধারের জন্য চেষ্টা করা হলেও, উল্টো আমাদের ওপর শত্রুতা পোষণ করে চলেছে জহুরুল।

 

 

জনপ্রিয়

সাদুল্লাপুরে বসতবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

প্রকাশের সময়: ০৮:২৮:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ অগাস্ট ২০২১

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় জমাজমি সংক্রান্ত বিরোধে জহুরুল ইসলাম (৫১) নামের এক ব্যক্তির বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিপক্ষ মাহাবুর মিয়া (৫৬) গংদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

সোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে যাওয়া হলে ওই মামলার বিবরণে জানা যায়, উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়নের মধ্য হাট বামুনি গ্রামের মৃত  আজিজুল হকের ছেলে জহুরুল ইসলামের ভাগিশরিক মৃত কছির উদ্দিনের ছেলে মাহাবুর মিয়া ও মৃত দোল্লক উদ্দিনের ছেলে আমির হোসেন গংদের সঙ্গে জমাজমি নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এরই একপার্যায়ে ২৭ জুলাই সকালে জহুরুল ইসলাম বাড়িতে না থাকার সুযোগে পুর্বপরিকল্পিভাবে মাহাবুর মিয়া তার লোকজন নিয়ে জহুরুলের বসতবাড়িতে হামলা চালায়। এসময় তার ঘরবাড়ি ভাঙচুর করা শেষে ঘরে থাকা নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, পুকুরের মাছ নিধন করাসহ প্রায় আড়াই লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। এতে জহুরুলের স্ত্রী আজিনা বেগম বাধা দিলে হামলাকারিরা দা-কুড়াল উঁচিয়ে হত্যার হুমকি দেয় এবং ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। এ টাকা না দিলে জোরপুর্বক জমি দখলেরও হুমকি দেয় তারা। তাদের এমন উত্তেজনার কারণে প্রাণের ভয়ে আর মুখ খোলার সাহস পায়নি আরজিনা বেগম।

ভুক্তভোগি জহুরুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, মাহাবুর মিয়া গংদের হামলায় ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় ১০ আগস্ট গাইবান্ধা বিজ্ঞ আমলী আদালতে মামলা দায়ের করা হয়।

তিনি আরও বলেন, আদালতে মামলা করার খবর জেনে আসামিরা মামলা তুলে নেয়াসহ প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলেছে। যে কোন মুহূর্তে আবারও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে পারে বলে ধরাণা করা হচ্ছে। যার ফলে পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

উল্লেখিত ঘটনা অস্বীকার করে বিবাদী আমির হোসেন বলেন, আমাদের নামীয় জমি জহুরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছে। এ জমি উদ্ধারের জন্য চেষ্টা করা হলেও, উল্টো আমাদের ওপর শত্রুতা পোষণ করে চলেছে জহুরুল।