শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিংড়ায় গাছে বেঁধে কৃষককে পেটালেন ইউপি মেম্বার

আমণ ধান ক্ষেতে গরু যাওয়াকে কেন্দ্র করে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে মধ্যযুগীয় কায়দায় ২ কৃষককে গাছের সাথে বেঁধে ইচ্ছে মত পেটালেন স্থানীয় মকলেছুর নামের এক ইউপি সদস্য।

রবিবার (২২ আগস্ট) সকালে নাটোরেরর সিংড়া উপজেলা চলনবিল অধ্যুষিত বাঁশবাড়িয়া ও শালমারা আমণ ধানের মাঠে  এই ঘটনা ঘটে। ওই ইউপি সদস্যের বাড়ি শালমারা গ্রামে।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, রবিবার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে শালমারা- বাঁশবাড়িয়া মাঠে বাঁশবাড়িয়া গ্রামের কৃষক শাহাদত ও বেলায়েতের গরু ঐ ইউপি মেম্বারের আমণ ধানে প্রবেশ করে। এসময় ইউপি সদস্য ও তাঁর লোকজন ১১ টি গরু বেঁধে রাখে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ঐ দুজন কৃষক উপস্থিত হলে, ইউপি মেম্বার কৃষক বেলায়েত (৬০) কে গাছের সাথে বেঁধে রাখে এবং অপর কৃষক শাহাদত (৭০) কে লাঠি দিয়ে বেধরক পেটায়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে দুজনকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।

অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মকলেছ আলী বলেন, তাদের গরু আমার জমির আমণ ধান নষ্ট করায় তাদের কে গ্রামে ধরা হয়েছিল। ২-১ টি লাঠি দিয়ে মারার কথা স্বীকার করেন তিনি।

ইটালি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম আরিফ জাগো২৪.নেট-কে বলেন, এবিষয়ে শুনেছি তবে ঘটনাটি সঠিক।

জনপ্রিয়

সিংড়ায় গাছে বেঁধে কৃষককে পেটালেন ইউপি মেম্বার

প্রকাশের সময়: ০৭:৪৫:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ অগাস্ট ২০২১

আমণ ধান ক্ষেতে গরু যাওয়াকে কেন্দ্র করে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে মধ্যযুগীয় কায়দায় ২ কৃষককে গাছের সাথে বেঁধে ইচ্ছে মত পেটালেন স্থানীয় মকলেছুর নামের এক ইউপি সদস্য।

রবিবার (২২ আগস্ট) সকালে নাটোরেরর সিংড়া উপজেলা চলনবিল অধ্যুষিত বাঁশবাড়িয়া ও শালমারা আমণ ধানের মাঠে  এই ঘটনা ঘটে। ওই ইউপি সদস্যের বাড়ি শালমারা গ্রামে।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, রবিবার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে শালমারা- বাঁশবাড়িয়া মাঠে বাঁশবাড়িয়া গ্রামের কৃষক শাহাদত ও বেলায়েতের গরু ঐ ইউপি মেম্বারের আমণ ধানে প্রবেশ করে। এসময় ইউপি সদস্য ও তাঁর লোকজন ১১ টি গরু বেঁধে রাখে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ঐ দুজন কৃষক উপস্থিত হলে, ইউপি মেম্বার কৃষক বেলায়েত (৬০) কে গাছের সাথে বেঁধে রাখে এবং অপর কৃষক শাহাদত (৭০) কে লাঠি দিয়ে বেধরক পেটায়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে দুজনকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।

অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মকলেছ আলী বলেন, তাদের গরু আমার জমির আমণ ধান নষ্ট করায় তাদের কে গ্রামে ধরা হয়েছিল। ২-১ টি লাঠি দিয়ে মারার কথা স্বীকার করেন তিনি।

ইটালি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম আরিফ জাগো২৪.নেট-কে বলেন, এবিষয়ে শুনেছি তবে ঘটনাটি সঠিক।