গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় নবম শ্রেণির এক প্রতিবন্ধী ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে গাইবান্ধা সদর হাসপাতাল থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ওই ছাত্রীর মা। এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) উপজেলার মনিরাম কাজী এলাকার হাজের আলীর ছেলে কাওসার ইসলাম কাজলের বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
জানা গেছে, গত সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) প্রতিবন্ধী স্কুল ছাত্রী রাতের কোচিং ক্লাস করার উদ্দেশ্য সন্ধ্যার দিকে বাড়ি বের হয়। এসময় স্কুলের বাজারের পূর্ব পাশে ফাঁকা জায়গায় ধর্ষক কাওসার ইসলাম কাজল প্রতিবন্ধী ওই ছাত্রী বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পাশের কালাম মিয়ার সেচ মেশিন ঘরে নিয়ে গিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। প্রতিবন্ধী ছাত্রীর আত্মচিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে বিবস্ত্র অবস্থায় দেখতে পায়। পরে ছাত্রীসহ ধর্ষক কাজলকে স্থানীয় একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। ছাত্রীর পিতা খবর পেয়ে ওই বাড়িতে গেলে স্থানীয়রা জোর পূর্বক প্রতিবন্ধী ছাত্রীর বাবার কাছ থেকে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেয় মেয়েকে তার জিম্মায় দেয়।
এদিকে ধর্ষণের শিকার সেই প্রতিবন্ধী স্কুলছাত্রীর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ দেখে নিরুপায় হয়ে মঙ্গলবার সকালে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার মেয়েকে নিয়ে যান। পরে ছাত্রীর অবস্থার অবনতি হলে দুপুরের দিকে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
প্রতিবন্ধী স্কুলছাত্রীর বাবা জানান, এখন কি হবে মেয়েটির। এর উপযুক্ত বিচার দাবি করছি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত কাওসার ইসলাম কাজলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইফতেখারুল মোকাদ্দেম। তিনি বলেন, এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, গাইবান্ধা 



















