শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২ লিফটে ৮ হাজার শিক্ষার্থীর যাতায়াত, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশাল আয়তনের নতুন একাডেমিক ভবনে রয়েছে সাতটি লিফটের স্থান। নির্দিষ্টি স্থানগুলোর মধ্যে মাত্র চারটি যায়াগায় বসানো হয়েছে লিফট। চারটি লিফটের মধ্যে একটি শিক্ষকদের ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত আর একটি দীর্ঘ তিন সপ্তাহ ধরে অচল। তাই ৮ হাজার শিক্ষার্থীর বিপরীতে চলছে মাত্র দুটি লিফট। এতে ভোগান্তি পোহাচ্ছে শিক্ষার্থীরা সেই সাথে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুকি।

সরেজমিনে দেখা যায়,  চলমান দুটি লিফটে বেড়েছে ভীড়। এতে করে যাতায়াত যেমন বিঘ্নিত হচ্ছে, সময়ও লাগছে বেশি। অনেকের ক্লাসরুমে প্রবেশে দেরি হচ্ছে, পরীক্ষা কেন্দ্রে সময়মত পৌঁছাতে পারছে না কেউ কেউ। ভীড় হওয়ার কারণে মেয়ে শিক্ষার্থীদের সমস্যা হচ্ছে বেশি। ভীড়ের মাঝে ধাক্কাধাক্কি সহ্য করতে হচ্ছে তাদের। নিয়মিত ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি শিক্ষার্থী নেয়ায় লিফট ছিঁড়ে পরে যাওয়ার আশংকা করছেন অনেকে। লিফট অপারেটর বেলাল হোসেন জানান, লিফটটি ২১ দিনের বেশি সময় ধরে নষ্ট। নেই পর্যাপ্ত লিফটম্যানও, মাত্র দুইজন লিফটম্যানে চলছে কাজ। দীর্ঘ তিন সপ্তাহের অধিক সময় লিফট বন্ধ থাকার পরেও তা ঠিক না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তারা চান দ্রুত বিষয়টি সমাধান হোক।

ঠিক কতদিনে বন্ধ লিফটি চালু হবে তা নিয়ে প্রশ্ন করলে সদুত্তর দিতে পারেননি প্রধান প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারি।

তিনি বলেন, “এই নিয়ে কাজ চলছে। দ্রুতই লিফটটি চালু করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। সাথে ৭ টি লিফটের মধ্যে ৫টি লিফট চালু রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।” এই বিষয়ে আহ্বায়ক কমিটিও গঠন হয়েছে বলে জানান তিনি।

জনপ্রিয়

আবু সাঈদের স্বপ্নের বাংলাদেশ আমরা প্রতিষ্ঠিত করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

২ লিফটে ৮ হাজার শিক্ষার্থীর যাতায়াত, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

প্রকাশের সময়: ০৩:০৯:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশাল আয়তনের নতুন একাডেমিক ভবনে রয়েছে সাতটি লিফটের স্থান। নির্দিষ্টি স্থানগুলোর মধ্যে মাত্র চারটি যায়াগায় বসানো হয়েছে লিফট। চারটি লিফটের মধ্যে একটি শিক্ষকদের ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত আর একটি দীর্ঘ তিন সপ্তাহ ধরে অচল। তাই ৮ হাজার শিক্ষার্থীর বিপরীতে চলছে মাত্র দুটি লিফট। এতে ভোগান্তি পোহাচ্ছে শিক্ষার্থীরা সেই সাথে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুকি।

সরেজমিনে দেখা যায়,  চলমান দুটি লিফটে বেড়েছে ভীড়। এতে করে যাতায়াত যেমন বিঘ্নিত হচ্ছে, সময়ও লাগছে বেশি। অনেকের ক্লাসরুমে প্রবেশে দেরি হচ্ছে, পরীক্ষা কেন্দ্রে সময়মত পৌঁছাতে পারছে না কেউ কেউ। ভীড় হওয়ার কারণে মেয়ে শিক্ষার্থীদের সমস্যা হচ্ছে বেশি। ভীড়ের মাঝে ধাক্কাধাক্কি সহ্য করতে হচ্ছে তাদের। নিয়মিত ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি শিক্ষার্থী নেয়ায় লিফট ছিঁড়ে পরে যাওয়ার আশংকা করছেন অনেকে। লিফট অপারেটর বেলাল হোসেন জানান, লিফটটি ২১ দিনের বেশি সময় ধরে নষ্ট। নেই পর্যাপ্ত লিফটম্যানও, মাত্র দুইজন লিফটম্যানে চলছে কাজ। দীর্ঘ তিন সপ্তাহের অধিক সময় লিফট বন্ধ থাকার পরেও তা ঠিক না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তারা চান দ্রুত বিষয়টি সমাধান হোক।

ঠিক কতদিনে বন্ধ লিফটি চালু হবে তা নিয়ে প্রশ্ন করলে সদুত্তর দিতে পারেননি প্রধান প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারি।

তিনি বলেন, “এই নিয়ে কাজ চলছে। দ্রুতই লিফটটি চালু করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। সাথে ৭ টি লিফটের মধ্যে ৫টি লিফট চালু রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।” এই বিষয়ে আহ্বায়ক কমিটিও গঠন হয়েছে বলে জানান তিনি।