প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করে চার দিনেও বাড়ী ফিরতে পারছে না। ধর্ষক নুরনবী তার বাবা, চাচাসহ পরিবারের লোকজন ধর্ষিতাকে মোবাইল ফোনে নানা ভাবে হুমকি দিয়ে আসছে।
স্থানীয়রা বলছেন ধর্ষক এলাকাতেই বহাল তবিয়তে ঘুরাফেরা করলেও মামলার তদন্তকারী অফিসার সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের বিট পুলিশ এসআই গোলজার হোসেন গতনুগতিক ভাবে বলছেন আসামীদের ধরতে নানা প্রক্রিয়া অবলম্বন করা হয়েছে। তবে এখনো গ্রেফতার করা সম্ভব হয় নি।
সূত্রে জানা গেছে , মদনখালী ইউনিয়নের ফকিরপাড়া মাগুড়া গ্রামে গোফ্ফার আলীর পুত্র নুরনবী মিয়া (৩২) পাশবর্তী বাড়ীর ভাবি দুই সন্তানের জননী তার বাড়ীতে ডেকে ধর্ষণ করে এবং সেই ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে ধর্ষীতাকে ভয়ভিতী দেখিয়ে দীর্ঘদিন অপকর্ম চালিয়ে আসছিল। গত ৭ সেপ্টেম্বর বেলা ১১ টার সময় ধর্ষক নুরনবী মাজেদাকে তাদের নির্জন বাড়ীতে ডেকে ধর্ষণ করা অবস্থায় পাশবর্তী লোকেরা দেখে ফেললে নুরনবী প্রাচীর টপকিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরে স্থানীয়রা ধর্ষিতাকে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।
গত ১১ সেপ্টেম্বর ধর্ষিতা পীরগঞ্জ থানায় নারী শিশু দমন ২০০০ সালে সংশোধনী (২০) ৯ (১) ধারায় একমাত্র আসামী নুরনবী মিয়ার নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করে। মামলা নং- ৩৪/৩২৬। থানায় মামলা রেকর্ড হওয়ার পর ধর্ষিতা ভিসেরা রিপোট সংগ্রহ করতে রংপুর মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন পুলিশ। রংপুর মেডিকেল থেকে ফিরে ধর্ষিতা প্রভাবশালীর ধর্ষকের ভয়ে বাড়ী ফিরে যেতে পারছে না। গত চার দিন থেকে পৌরসভার জনৈক পরিচিত জনদের বাড়ীতে আশ্রয় নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই গোলজার হোসেনকে আসামী গ্রেফতারের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন চেষ্ঠা অব্যহত আছে। এএসপি ডি সার্কেল কামরুজ্জামান সাহেবের সাথে কথা হলে তিনি বলেন দ্রুততম সময়ের মধ্যেই আসামীদের গ্রেফতার করা হবে।
সরকার বেলায়েত, করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, পীরগঞ্জ (রংপুর) 



















