রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন

খানসামায় বাড়ছে ওলকচু চাষ

মো. রফিকুল ইসলাম, করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, চিরিরবন্দর (দিনাজপুর)
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কারিগরী সহায়তা ও পরামর্শে অল্প খরচে অধিক মুনাফা করে স্বপ্ন পূরণ করেছেন দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার কৃষাণ-কৃষাণীরা। ফলে উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে ওলকচুর চাষ  বৃদ্ধি পেয়েছে। পুষ্টিসম্মত খাদ্য হিসেবে বাজারে চাহিদাও বৃদ্ধি পেয়েছে।

জানা গেছে, কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় গত বছর উপজেলায় প্রথমবারের মত মাদ্রাজী জাতের ওলকচুর চাষ হয়। সেই সাফল্য দেখে এবং কৃষি বিভাগের প্রচারণায় এবছর বেড়েছে ওলকচু চাষ।  উপজেলার মাটি ওলকচু চাষের উপযোগী ও কম খরচে বেশি ফলন পাওয়া যায়। ফলে নতুন নতুন চাষিও এতে উৎসাহিত হচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে আরো জানা গেছে, চলতি মৌসুমে কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ১৫ জন কৃষককে ওলকচু চাষে সহায়তা করে কৃষি বিভাগ। এছাড়াও অনেকে স্ব উদ্যোগে চাষ করছেন।উপজেলায় ৪ একর জমিতে ওলকচু চাষ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণ।

সরেজমিনে দেখে যায়, কৃষকরা এখন ওলকচু তুলছেন। এ ওলকচু বাজারে প্রতিকেজি ৫০-৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।খামারপাড়া গ্রামের কৃষক আলতাফ হোসেন বলেন, দেশি জাতের ওলকচুর চেয়ে মাদ্রাজীতের কচুতে লাভ বেশি। কৃষি বিভাগের সহায়তায় ২০ শতক জমিসহ নিজ উদ্যোগে আমি ৪০ শতক জমিতে ওলকচু চাষ করেছি। এতে খরচ হয়েছে অন্তত এক লাখ টাকা। ফলন হয়েছে  অন্তত ২ হাজার কেজি। যা বর্তমান বাজারমূল্যে বিক্রি করলে অন্তত আড়াই লাখ টাকা পাওয়া যাবে। এতে অন্যান্য ফসলের তুলনায় কম খরচে অধিক লাভ।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বাসুদেব রায় বলেন, এটি পুষ্টি সমৃদ্ধ ও নিরাপদ সবজি। উপজেলার মাটি ওলকচু চাষের জন্য উপযোগী। উপজেলায় ২০২০-২১ইং অর্থ বছর প্রথমবার বাণিজ্যিকভাবে ওলকচুর চাষ হয়। ওলকচু চাষ করে কৃষকরা লাভবান হওয়ায় সময়ের সাথে ওলকচু চাষের জমির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | জাগো২৪.নেট

কারিগরি সহায়তায় : শাহরিয়ার হোসাইন