শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে স্কুলের সরঞ্জামাদী রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপড়হাটী এসসি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাল্টিমিডিয়া শ্রেণির সরঞ্জামাদী রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, উক্ত বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া শ্রেণির সরঞ্জামাদী ইতোপূর্বে সরবরাহ করেন শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকৌশলী বিভাগের নিয়োগ প্রাপ্ত ঠিকাদার। সরঞ্জামাদীগুলো ছিল প্যাকেট ভর্তি। প্রতিষ্ঠান কতৃর্পক্ষ মালামাল বুঝে নেন। এরপর গত ১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকৌশলী বিভাগের লোকজন মাল্টিমিডিয়া শ্রেণির সরঞ্জামাদী সেটিং ও সংযোগ করতে যান। এসময় প্যাকেটের ভিতর থেকে ১০টি সিপিইউ, ৩টি মনিটর, ১টি এক্সেস পয়েন্ট, ২টি কানেকশন সুইচ ও ১টি ওয়াইফাই সংযোগের সরঞ্জামাদী না থাকায় হৈ-চৈ পড়ে যায়। স্থানীয়দের ধারণা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান অথবা বিদ্যালয় কৃতপক্ষের ভিতর থেকে এ সরঞ্জামাদীগুলো সরিয়েছে। অবশ্য ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল আহাদ বকুল এঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। থানার এসআই মানিক রানা প্রাথমিক তদন্ত কাজ শুরু করেন। তিনি বলেন তদন্তাধীন বিষয়ে এখনেই কিছু বলা যাবেনা।

প্রধান শিক্ষক আব্দুল আহাদ বকুল বলেন এঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছি। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কামরুল ইসলাম বলেন, ২০২১ সালের আগস্ট মাসে কারিগরি ও মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসব সরঞ্জামাদী বিদ্যালয়ে সরবরাহ করেন ঠিকাদার। তখন তিনি বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটিতে ছিলেন না। এমনকি, তখন কোন নিরাপত্তা কর্মীও বিদ্যালয়ে নিয়োগ দেয়া হয়নি। বিদ্যালয়ের দরজার তালার চাবি প্রধান শিক্ষক ও অফিস সহকারী আওতায় থাকে।

থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সেরাজুল ইসলাম বলেন, তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয়

আবু সাঈদের স্বপ্নের বাংলাদেশ আমরা প্রতিষ্ঠিত করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সুন্দরগঞ্জে স্কুলের সরঞ্জামাদী রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ

প্রকাশের সময়: ০৪:৪৫:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপড়হাটী এসসি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাল্টিমিডিয়া শ্রেণির সরঞ্জামাদী রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, উক্ত বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া শ্রেণির সরঞ্জামাদী ইতোপূর্বে সরবরাহ করেন শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকৌশলী বিভাগের নিয়োগ প্রাপ্ত ঠিকাদার। সরঞ্জামাদীগুলো ছিল প্যাকেট ভর্তি। প্রতিষ্ঠান কতৃর্পক্ষ মালামাল বুঝে নেন। এরপর গত ১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকৌশলী বিভাগের লোকজন মাল্টিমিডিয়া শ্রেণির সরঞ্জামাদী সেটিং ও সংযোগ করতে যান। এসময় প্যাকেটের ভিতর থেকে ১০টি সিপিইউ, ৩টি মনিটর, ১টি এক্সেস পয়েন্ট, ২টি কানেকশন সুইচ ও ১টি ওয়াইফাই সংযোগের সরঞ্জামাদী না থাকায় হৈ-চৈ পড়ে যায়। স্থানীয়দের ধারণা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান অথবা বিদ্যালয় কৃতপক্ষের ভিতর থেকে এ সরঞ্জামাদীগুলো সরিয়েছে। অবশ্য ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল আহাদ বকুল এঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। থানার এসআই মানিক রানা প্রাথমিক তদন্ত কাজ শুরু করেন। তিনি বলেন তদন্তাধীন বিষয়ে এখনেই কিছু বলা যাবেনা।

প্রধান শিক্ষক আব্দুল আহাদ বকুল বলেন এঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছি। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কামরুল ইসলাম বলেন, ২০২১ সালের আগস্ট মাসে কারিগরি ও মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসব সরঞ্জামাদী বিদ্যালয়ে সরবরাহ করেন ঠিকাদার। তখন তিনি বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটিতে ছিলেন না। এমনকি, তখন কোন নিরাপত্তা কর্মীও বিদ্যালয়ে নিয়োগ দেয়া হয়নি। বিদ্যালয়ের দরজার তালার চাবি প্রধান শিক্ষক ও অফিস সহকারী আওতায় থাকে।

থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সেরাজুল ইসলাম বলেন, তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।