শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালন

২৮ সেপ্টেম্বর (বুধবার) রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে আনন্দমুখর পরিবেশে  প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উদযাপন করা হয়েছে।

সকাল ১০.০০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্ আজম।

এ-সময় উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস-এর বঙ্গবন্ধু চেয়ার প্রফেসর ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, তার সহধর্মিনী প্রফেসর ড. শওকত আরা, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. ফিরোজ আহমদ, এবং রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

সকাল ১১:০০ টায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ভবন-১-এর লেকচার থিয়েটারে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্ আজম। আলোচক হিসেবে জননেত্রী শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ শীর্ষক বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালেয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. ফিরোজ আহমদ। সভাপতির বক্তব্যে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্ আজম ৭৬তম জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

তিনি বলেন, পঁচাত্তরের ১৫ই আগস্টে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর বাঙালি জাতি যে চরম স্থবিরতায় নিমজ্জিত হয়েছিল, তা থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। উপাচার্য মহোদয় আরও বলেন, শেখ হাসিনা কেবল বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তারিধকার নন, বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি ও আদর্শের উত্তরাধিকার। বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার মধ্যে সাদৃশ্যের সবচেয়ে বড়ো জায়গা হলো তাঁরা দুজনেই জনগণকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন। তাঁদের রাজনীতির সকল শক্তির উৎস জনগণ। উপাচার্য মহোদয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন।

প্রফেসর ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন তাঁর বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জননেত্রী শেখ হাসিনার সাহস, দেশপ্রেম ও জনগণের ওপর অবিচল আস্থার কথা আলোচনা করেন তথ্যবহুল বক্তৃতায়। তিনি বলেন, সম্মোহন, সাহস ও উদ্ভাবনী নেতৃত্বের এক অনন্য সম্মিলন ঘটেছে শেখ হাসিনার মধ্যে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষে আলোচনাসভায় আলোচক হিসেবে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য তিনি রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মহোদয়কে ধন্যবাদ জানান। উল্লেখ্য, আলোচনা শেষে বিকেল ৪:৩০ মিনিটে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত ক্যাম্প্যাসে বৃক্ষরোপণ করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্ আজম।

জনপ্রিয়

আবু সাঈদের স্বপ্নের বাংলাদেশ আমরা প্রতিষ্ঠিত করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালন

প্রকাশের সময়: ০৭:১৫:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

২৮ সেপ্টেম্বর (বুধবার) রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে আনন্দমুখর পরিবেশে  প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উদযাপন করা হয়েছে।

সকাল ১০.০০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্ আজম।

এ-সময় উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস-এর বঙ্গবন্ধু চেয়ার প্রফেসর ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, তার সহধর্মিনী প্রফেসর ড. শওকত আরা, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. ফিরোজ আহমদ, এবং রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

সকাল ১১:০০ টায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ভবন-১-এর লেকচার থিয়েটারে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্ আজম। আলোচক হিসেবে জননেত্রী শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ শীর্ষক বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালেয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. ফিরোজ আহমদ। সভাপতির বক্তব্যে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্ আজম ৭৬তম জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

তিনি বলেন, পঁচাত্তরের ১৫ই আগস্টে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর বাঙালি জাতি যে চরম স্থবিরতায় নিমজ্জিত হয়েছিল, তা থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। উপাচার্য মহোদয় আরও বলেন, শেখ হাসিনা কেবল বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তারিধকার নন, বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি ও আদর্শের উত্তরাধিকার। বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার মধ্যে সাদৃশ্যের সবচেয়ে বড়ো জায়গা হলো তাঁরা দুজনেই জনগণকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন। তাঁদের রাজনীতির সকল শক্তির উৎস জনগণ। উপাচার্য মহোদয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন।

প্রফেসর ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন তাঁর বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জননেত্রী শেখ হাসিনার সাহস, দেশপ্রেম ও জনগণের ওপর অবিচল আস্থার কথা আলোচনা করেন তথ্যবহুল বক্তৃতায়। তিনি বলেন, সম্মোহন, সাহস ও উদ্ভাবনী নেতৃত্বের এক অনন্য সম্মিলন ঘটেছে শেখ হাসিনার মধ্যে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষে আলোচনাসভায় আলোচক হিসেবে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য তিনি রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মহোদয়কে ধন্যবাদ জানান। উল্লেখ্য, আলোচনা শেষে বিকেল ৪:৩০ মিনিটে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত ক্যাম্প্যাসে বৃক্ষরোপণ করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্ আজম।