শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:২৪ পূর্বাহ্ন

ধান ক্ষেতে শত্রুর হানা

সরকার বেলায়েত, করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, পীরগঞ্জ (রংপুর)
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২

চলতি আমন মৌসুমে প্রায় আড়াই হেক্টর (১০ বিঘা) জমির ধান জ্বালানি কীটনাশক দিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগের সত্যতা প্রমাণের জন্য এএসআই আশরাফুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আসামীদেও গ্রেফতার বা মামলা রেকর্ড ভূক্ত করা হয়নাই বলে অভিযোগ ওঠেছে।

তবে পুড়ে যাওয়া ধান উপজেলা কৃষি বিভাগের লোকজন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ঔষধ দেয়ার পরামর্শ ছাড়াও সার্বক্ষণিক নজরদারীতে রেখেছেন। আসামীদের ভয়ে বিবাদীগণ অন্য ফসল দেখতে যাওয়ার সাহস পাচ্ছে না। উপরোন্ত প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলছে আসামীগণ। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৩ সেপ্টেম্বর অনুমান ভোর পাঁচটার সময় রামনাথপুর ইউনিয়নের রাধাকৃষ্ণপুর গ্রামে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায় সেরাজুল ইসলামের একশ শতক রেজাউল করিমের পঁচাত্তর শতক আবুল হোসেনের একশ শতক আব্দুস সামাত মিয়ার পঞ্চাশ শতক সেকেন্দার আলীর পঞ্চাশ শতক সুমন মিয়ার পঞ্চাশ শতক নুরুন্নবী সরকারের ষাট শতক বেলাল মিয়ার বিশ শতক হাফিজুর রহমানের বিশ শতক আমিনুল ইসলামের বিশ শতক আব্দুস সালাম মিয়ার পঁচিশ শতক এবং খলিল মিয়ার পঞ্চাশ শতক জমিতে বেগুন ও মরিচের আবাদ ছিল তাও পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

ঘটনা ঘটার দুইদিন পর ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকেরা ১৩ জনের নাম উল্লেখ কওে পীরগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এর মধ্যে রাধাকৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত তছির উদ্দিনের পুত্র রুহুল আমিন রফিকুল ইসলাম আজিজার রহমান সাদেকুল ইসলাম রফিকুল ইসলামের পুত্র শিপন মিয়া আজিজার রহমানের পুত্র শামীম মিয়া ও ফারুক মিয়া মৃত তছির উদ্দিনের কন্যা পারুল বেগম মিঠিপুর ইউনিয়নের একবারপুর গ্রামের একরামুল হকের স্ত্রী রেহেনা বেগম মৃত্যু দেলোয়ার হোসেন পুত্র একরামুল হক রওশনপুর গ্রামের ছাখা মিয়া স্ত্রী রাশেদা বেগম পিতা- অজ্ঞাত মো: ছাখা মিয়া সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের বোয়ালিদহ গ্রামের মুনছুর আলীর স্ত্রী হালিমা বেগমকে আসামী করা হয়।

ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন কালে জানা যায় ১ নং আসামী রুহুল আমিন ঢাকায় থাকে মাঝে মাঝে বাড়ীতে এসে বিবাদীদের নিকট জমি ওয়ারিশ সূত্রে পাবে বলে বেড়ায়। কিন্তু জমি প্রাপ্তির কোন কাগজপত্র বা বৈঠক না দিয়ে গত চার/পাঁচ মৌসুমে উঠতি ফসলে জ¦ালানি নাশক কীটনাশক দিয়ে রাতের অন্ধকারে স্প্রে করে ফসল বিনষ্ঠ করে দেয়। চলতি মৌসুমে বাদীর সাড়ে চার লক্ষ টাকার ফসল পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এবিষয়ে অভিযোগকারী তদন্ত কর্মকর্তা এএসআই আশরাফুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি বলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এবং অভিযোগটি মামলা রেকর্ড না করে প্রসিকিউসনের জন্য বিজ্ঞ আদালাতে পাঠানো হবে।

এদিকে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের লোকজন পুড়ে যাওয়া জমি ছাড়াও অন্য জমি রাতের বেলা পাহাড়া দিবে এ সাহস হারিয়ে ফেলেছে। কেননা ১নং আসামী রুহুল আমিন অত্র রুহুল কিলার বলে সকলেই জানে। সে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, রাহাজানী, উঠতি ফসল নষ্ট সহ প্রায় ডজন খানেক মামলার ফেরারী আসামী এবং আসামী ফোন দিয়ে দিনে দুই থেকে তিন বার বিবাদীকে জীবন নাশের হুমকি দিয়ে আসছে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | জাগো২৪.নেট

কারিগরি সহায়তায় : শাহরিয়ার হোসাইন