শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হিলিতে চালের দাম কমেছে কেজিতে ৪ টাকা

সপ্তাহের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলিতে চালের দাম কমেছে কেজিপ্রতি ৪ থেকে ৫ টাকা। ওএমএস আর খাদ্যবান্ধব চাল খোলা বাজারে বিক্রি হওয়ায় দাম কমে গেছে, বলছেন চাল ব্যবসায়ীরা। এদিকে চালের দাম কম পাওয়াতে খুশি সাধারণ ক্রেতারা।
মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে হিলি চাল বাজার ঘুরে দেখা যায়, এক সপ্তাহ আগের দামের তুলোনা ৪ থেকে ৫ টাকা কেজিতে দাম কমেছে। ৬৮ টাকার মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৪ টাকা দরে। ৫৯ টাকার স্বার্ণা চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৫৬ টাকা দরে। ৫৪ টাকার গুটি স্বার্ণা চাল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি দরে।
হিলি বাজারে চাল কিনতে আসা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বাজারে চালের দাম অনেকটায় কমে গেছে। গত সপ্তাহের তুলোনায় আজ ৪ টাকা কম দামে কিনতে পারলাম।
একজন ভ্যানচালক রাব্বানী বলেন, ওএমএস’র চাল ৩০ টাকা কেজিতে কিনতে পারছি। এতে আমাদের মতো গরীব মানুষের অনেক উপকার হচ্ছে। ওএমএস’র চালগুলো খুবি সুন্দর, খেতে কোন সমস্যা হচ্ছে না। আজকে ওএমএস’র চাল কিনতে সুযোগ পাইনি। তাই বাজার থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে চাল কিনতে হলো।
হিলি বাজারে চাল ব্যবসায়ী সুব্রত কুণ্ডু বলেন, খোলা বাজারে ওএমএস’র ও খাদ্যবান্ধব চাল কম দাম পাওয়াতে বেচাবিক্রি অনেক কমে গেছে। পাশাপাশি দাম কমে গেছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ৪ থেকে ৫ টাকা চালের দাম কমে গেছে।
জনপ্রিয়

আবু সাঈদের স্বপ্নের বাংলাদেশ আমরা প্রতিষ্ঠিত করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

হিলিতে চালের দাম কমেছে কেজিতে ৪ টাকা

প্রকাশের সময়: ০৭:০৪:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর ২০২২
সপ্তাহের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলিতে চালের দাম কমেছে কেজিপ্রতি ৪ থেকে ৫ টাকা। ওএমএস আর খাদ্যবান্ধব চাল খোলা বাজারে বিক্রি হওয়ায় দাম কমে গেছে, বলছেন চাল ব্যবসায়ীরা। এদিকে চালের দাম কম পাওয়াতে খুশি সাধারণ ক্রেতারা।
মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে হিলি চাল বাজার ঘুরে দেখা যায়, এক সপ্তাহ আগের দামের তুলোনা ৪ থেকে ৫ টাকা কেজিতে দাম কমেছে। ৬৮ টাকার মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৪ টাকা দরে। ৫৯ টাকার স্বার্ণা চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৫৬ টাকা দরে। ৫৪ টাকার গুটি স্বার্ণা চাল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি দরে।
হিলি বাজারে চাল কিনতে আসা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বাজারে চালের দাম অনেকটায় কমে গেছে। গত সপ্তাহের তুলোনায় আজ ৪ টাকা কম দামে কিনতে পারলাম।
একজন ভ্যানচালক রাব্বানী বলেন, ওএমএস’র চাল ৩০ টাকা কেজিতে কিনতে পারছি। এতে আমাদের মতো গরীব মানুষের অনেক উপকার হচ্ছে। ওএমএস’র চালগুলো খুবি সুন্দর, খেতে কোন সমস্যা হচ্ছে না। আজকে ওএমএস’র চাল কিনতে সুযোগ পাইনি। তাই বাজার থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে চাল কিনতে হলো।
হিলি বাজারে চাল ব্যবসায়ী সুব্রত কুণ্ডু বলেন, খোলা বাজারে ওএমএস’র ও খাদ্যবান্ধব চাল কম দাম পাওয়াতে বেচাবিক্রি অনেক কমে গেছে। পাশাপাশি দাম কমে গেছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ৪ থেকে ৫ টাকা চালের দাম কমে গেছে।