শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টাটকা ভাজা মিজানুরের বাদাম খেতে মজা

টাটকা গরম বাদাম বিক্রেতা মিজানুর রহমান একটি পরিচিত নাম। দিনাজপুরের হিলির কম-বেশি সবাই তাকে চেনে। ভ্যানে বাদাম ভাজার চুলা বসিয়ে আপন মনে ভাজে আর গরম গরম বাদাম বিক্রি করেন তিনি। দিনে ৯ থেকে ১০ কেজি ভাজা বাদাম বিক্রি হয়। তাতে প্রতিদিন ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা লাভ হয়। তাতে সংসারও চলে তার ভাল।
হিলির সাতকুড়ি গ্রামে বাড়ি মিজানুর রহমানের। সকাল ৯টায় ভ্যানে বাদাম, বুট, শিমের বিচি আর এসব ভাজার চুলা সাজিয়ে বাড়ি থেকে বেড় হয় হিলি শহরের উদ্দেশ্যে। প্রায় ১৫ বছর যাবৎ ভ্যানে করে গরম গরম বাদাম ভেজে বিক্রি করেন তিনি।
হিলি বাজার, সিপি এবং উপজেলায় নির্দিষ্ট সময় তিনি বাদামের ভ্যান নিয়ে অবস্থান করেন। সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত উপজেলা চত্ত্বরে, বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সিপিতে এবং সন্ধ্যা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত বাজারে ব্যবসা করেন। এটা তার নিত্যদিনের ব্যবসার রুটিন।
বাড়িতে বাদাম ভেজে ডালায় সাজিয়ে তা গলায় ঝুলিয়ে হাটে-বাজারে, স্কুল-কলেজে বাদাম বিক্রি করে আসছে বাদাম ব্যবসায়ীরা। কিন্তু মিজানুর রহমান ব্যতিক্রম ধর্মী বাদামের ব্যবসা। ভ্যানেই চুলা বসিয়ে বাদাম ভাজেন আর ক্রেতারা গরম গরম বাদাম কিনে খান।
আব্দুল আজিজ বলেন, এই বাদাময়ালার বাদাম খেতে ভারি মজা। গরম গরম বাদাম ভেজে বিক্রি করেন। অন্য কারও নিকট বাদাম নেই না। কারণ তাদের ডালির বাদাম ঠাণ্ডা, খেতে তেমন স্বাদ পাই না।
হালিম নামের একজন ক্রেতা বলেন, সন্ধ্যায় হিলির মসজিদ মার্কেটের তাকে পাওয়া যায়। প্রতিদিন ১০০ গ্রাম বাদাম ২৫ টাকা দিয়ে কিনে খাই। আসলে গরম এবং টাটকা ভাজা বাদাম খেতে অনেক ভাল লাগে।
বাদাম বিক্রেতা মিজানুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে হিলি শহরে ভ্যানে করে নিজ হাতে মানুষের সামনে ভেজে বাদাম বিক্রি করে আসছি। ক্রেতাদের রুচি অনুযায়ী বাদাম ভাজি। বাজারে আমার বাদামের অনেক চাহিদা রয়েছে। শীতের সময় বাদাম অনেক বিক্রি হয়ে থাকে। গরম মৌসুমে একটু কম, তবুও প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ কেজি বাদাম বিক্রি করি। বর্তমান কাঁচা বাদামের দাম বেশি। ১০০ থেকে ১১০ কেজি কাঁচা বাদাম ক্রয় করছি। তা আবার ভেজে ২০০ টাকা কেজি বিক্রি করি। ১ কেজি কাঁচা বাদাম ভাজলে ৭০০ গ্রাম হয়। আল্লাহ দিলে দিনে আমার ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা লাভ হয়। এই ব্যবসা করে ছেলে-মেয়েদের নিয়ে অনেক ভাল আছি।
জনপ্রিয়

আবু সাঈদের স্বপ্নের বাংলাদেশ আমরা প্রতিষ্ঠিত করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

টাটকা ভাজা মিজানুরের বাদাম খেতে মজা

প্রকাশের সময়: ০৭:০৯:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর ২০২২
টাটকা গরম বাদাম বিক্রেতা মিজানুর রহমান একটি পরিচিত নাম। দিনাজপুরের হিলির কম-বেশি সবাই তাকে চেনে। ভ্যানে বাদাম ভাজার চুলা বসিয়ে আপন মনে ভাজে আর গরম গরম বাদাম বিক্রি করেন তিনি। দিনে ৯ থেকে ১০ কেজি ভাজা বাদাম বিক্রি হয়। তাতে প্রতিদিন ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা লাভ হয়। তাতে সংসারও চলে তার ভাল।
হিলির সাতকুড়ি গ্রামে বাড়ি মিজানুর রহমানের। সকাল ৯টায় ভ্যানে বাদাম, বুট, শিমের বিচি আর এসব ভাজার চুলা সাজিয়ে বাড়ি থেকে বেড় হয় হিলি শহরের উদ্দেশ্যে। প্রায় ১৫ বছর যাবৎ ভ্যানে করে গরম গরম বাদাম ভেজে বিক্রি করেন তিনি।
হিলি বাজার, সিপি এবং উপজেলায় নির্দিষ্ট সময় তিনি বাদামের ভ্যান নিয়ে অবস্থান করেন। সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত উপজেলা চত্ত্বরে, বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সিপিতে এবং সন্ধ্যা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত বাজারে ব্যবসা করেন। এটা তার নিত্যদিনের ব্যবসার রুটিন।
বাড়িতে বাদাম ভেজে ডালায় সাজিয়ে তা গলায় ঝুলিয়ে হাটে-বাজারে, স্কুল-কলেজে বাদাম বিক্রি করে আসছে বাদাম ব্যবসায়ীরা। কিন্তু মিজানুর রহমান ব্যতিক্রম ধর্মী বাদামের ব্যবসা। ভ্যানেই চুলা বসিয়ে বাদাম ভাজেন আর ক্রেতারা গরম গরম বাদাম কিনে খান।
আব্দুল আজিজ বলেন, এই বাদাময়ালার বাদাম খেতে ভারি মজা। গরম গরম বাদাম ভেজে বিক্রি করেন। অন্য কারও নিকট বাদাম নেই না। কারণ তাদের ডালির বাদাম ঠাণ্ডা, খেতে তেমন স্বাদ পাই না।
হালিম নামের একজন ক্রেতা বলেন, সন্ধ্যায় হিলির মসজিদ মার্কেটের তাকে পাওয়া যায়। প্রতিদিন ১০০ গ্রাম বাদাম ২৫ টাকা দিয়ে কিনে খাই। আসলে গরম এবং টাটকা ভাজা বাদাম খেতে অনেক ভাল লাগে।
বাদাম বিক্রেতা মিজানুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে হিলি শহরে ভ্যানে করে নিজ হাতে মানুষের সামনে ভেজে বাদাম বিক্রি করে আসছি। ক্রেতাদের রুচি অনুযায়ী বাদাম ভাজি। বাজারে আমার বাদামের অনেক চাহিদা রয়েছে। শীতের সময় বাদাম অনেক বিক্রি হয়ে থাকে। গরম মৌসুমে একটু কম, তবুও প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ কেজি বাদাম বিক্রি করি। বর্তমান কাঁচা বাদামের দাম বেশি। ১০০ থেকে ১১০ কেজি কাঁচা বাদাম ক্রয় করছি। তা আবার ভেজে ২০০ টাকা কেজি বিক্রি করি। ১ কেজি কাঁচা বাদাম ভাজলে ৭০০ গ্রাম হয়। আল্লাহ দিলে দিনে আমার ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা লাভ হয়। এই ব্যবসা করে ছেলে-মেয়েদের নিয়ে অনেক ভাল আছি।