নদীতে গোসল করতে নেমে স্রোতের তোড়ে তলিয়ে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায় শিশু নিহাত (৫)। রোববার সকাল ১০টায় নিখোঁজ শিশু নিহাদের লাশ ঘটনাস্থল থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার দূরে মাদারগঞ্জ ব্রিজের পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়। এ নিখোঁজের ঘটনাটি গত ৮ অক্টাবর শনিবার দুপুর ১টায় উপজেলার আউলিয়পুকুর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর বারোবাড়ি এলাকার আত্রাই নদীর মতিয়ার ঘাটে ঘটে। শিশু নিহাদ (৫) চিরিরবন্দর উপজেলার কৃষ্ণপুর বারোবাড়ী এলাকার রাজমিস্ত্রী আবুল কালামের নাতি এবং গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ ডোমরগাছার মিজানুর রহমান ও পারুল আকতার দম্পতির এক মাত্র ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মিজানুর রহমান ও পারুল আকতার দম্পতি ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকুরি করেন। কাজের সুবিধার্থে নিহাদকে তারা তার নানা-নানীর হেফাজতে রেখে যান। গত ৮ অক্টাবর শনিবার দুপুর ১টায় উপজেলার আউলিয়াপুকুর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর বারোবাড়ি এলাকায় দুপুরে নিহাদ তার বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে ছিলো। খেলার একপর্যায়ে বন্ধুরা সবাই মিলে আত্রাই নদীতে গোসল করতে যায়। গোসল করার একপর্যায়ে শিশু নিহাদ নদীর পানির মধ্যে তলিয়ে যায়। এসময় তার সঙ্গে থাকা বন্ধু ও বড় ভাইয়েরা তাকে অনেক খোঁজাখুজি করে। খোঁজ না মেলায় চিরিরবন্দর ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিস রংপুর থেকে ডুবরিদল এনে রাত ৮ টা পর্যন্ত শিশু নিহাদের সন্ধানে অভিযান চালায়। তার কোন খোঁজ-খবর পাওয়া না যাওয়ায় উদ্ধার অভিযান স্থগিত করা হয়।
চিরিরবন্দর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. মাহবুবুর রহমানের দিকনির্দেশনায় ও ডুবুরিদলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় প্রায় ১৮ ঘন্টাপর গতকাল ৯ অক্টো বর সকাল ১০টায় নিখোঁজ শিশু নিহাদের লাশ নিখোঁজ হওয়ার স্থান থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার দূরে মাদারগঞ্জ ব্রিজের পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়। চিরিরবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বজলুর রশিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল রির্পোট করে পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। ছবি আছে।
মো. রফিকুল ইসলাম, করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) 



















