গাইবান্ধায় ঘরে ঘরে ‘চোখ ওঠা’ বা কনজাংটিভাইটিস আক্রন্ত রোগী সংখ্যা দিন দিন বেড়েয় চলেছে। কিন্তু পাওয়া যাচ্ছে না এই রোগের ক্লোরামফেনিকল গ্রুপের ড্রপ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জেলার সর্বত্রই এ ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন শিশু, নারী, যুবক সহ নানা বয়সের মানুষ। চিকিৎসা নিতে হাসপাতাল, স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও প্রাইভেট চেম্বারে চিকিৎসকের কাছে ছুটছেন রোগীরা।
এদিকে, চোখ ওঠা রোগ নিরাময় করে ক্লোরামফেনিকল গ্রুপের সংকট দেখা দিয়েছে গাইবান্ধার ফার্মেসীগুলোতে। ওষুধ ব্যবসায়ীদের দাবি, এসব প্রতিষেধকের চাহিদা বাড়লেও কোম্পানিগুলো তা সরবরাহ করতে পারছে না। কিন্তু গাইবান্ধার বিভিন্ন ফার্মেসিগুলোর চিত্র একেবারে ভিন্ন কোন ফার্মেসিতে মিলছে না চোখের ড্রাপ।
প্রায় প্রতিটি ফার্মেসিতে চোখের ড্রপের কথা বললেই বলে নেই। এক সপ্তাহে গাইবান্ধার বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় অসংখ্য চোখ উঠা রোগীর দেখা মিলছে। তা দিন দিন বেড়েই চলছে।
আজাহার আলী জানান, গত তিন দিন হয় পরিবারের পাঁচ সদস্যের এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। আর এই রোগের জন্য চোখের যে ড্রাপ দরকার তা শহরের প্রায় সবগুলো ফার্মেসি ঘুড়েও পাই নি এ নিয়ে মহা বিপাকে পড়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে গাইবান্ধা শহরের স্বস্তি ফার্মেসির মালিক রাকেশ কুমার জানায়, যে হারে চোখ ওঠা রোগে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে আর ড্রাপের চাহিদা বেড়েই চলছে কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী আমরা তা দিতে পারছি না এর কারণ হচ্ছে আমার চাহিদা দিলেও কোম্পানিগুলো চাহিদা অনুযায়ী ড্রাপ সরবরাহ করতে পাড়তেছে না সে জন্য মার্কেটগুলোতে ড্রাপ সংকট দেখা দিয়েছে।
গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালের ডা. তানভীর রহমান বলেন, চোখ ওঠা রোগ সাধারণত ভাইরাস ও ব্যাক্টেরিয়ার কারণে হয়। এই রোগের আসল নাম কনজাংটিভাইটিস। ভাইরাস জনিত এই রোগ মুলত ছোঁয়াচে।
তিনি আরও বলেন, এই রোগে আক্রান্ত রোগীদের গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে অনেকেই আসছেন আর আউট ডোরে চোখের ড্রাপ সাপলাই পর্যাপ্ত আছে আর আমরা রোগীদের তা দিচ্ছি।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, গাইবান্ধা 



















