শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রেশন চালু ও বৃদ্ধির দাবি গাইবান্ধা সৈনিক কল্যাণ সংস্থার

রেশন  ভাতা বৃদ্ধি, পুনরায় রেশন চালু করা ও বেতন ভাতা বৃদ্ধিসহ ১০ দফা দাবিতে গাইবান্ধা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন কেরেছ অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক কল্যাণ সংস্থা।

বুধবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে শহরের ডিবি রোডে মানববন্ধন শেষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুশান্ত কুমার মাহাতোর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে ১০ দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের জেলা সভাপতি শাহাদত হোসেন সাজু, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট আইয়ুব আলী প্রধান, সার্জেন্ট শাহজাহান, মোস্তাফিজুর রহমান, সার্জেন্ট আবুল কালাম প্রমুখ।

স্মারকলিপিতে দাবিগুলো হচ্ছে, রেশন ভাতা বৃদ্ধি অথবা পুনরায় রেশন চালু, বেতন ভাতা বৃদ্ধি, চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধি, প্রতি জেলায় সশস্ত্র বাহিনী বোর্ড স্থাপন করা, প্রতি জেলায় চিকিৎসা কেন্দ্র (সিডব্লিউসি) স্থাপন, অসুস্থ সৈনিকদের জন্য সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে যাতায়াতের সুবিধার্থে প্রতি জেলায় সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা চালু, মৃত সৈনিকদের সামরিক মর্যাদায় গার্ড অব অর্নার চালু, মৃত সৈনিকদের পারিবারিক পেনশন ৩ মাসের মধ্যে পদের অসহায় পরিবারকে দেয়া, সশস্ত্র বাহিনীর বোর্ড কর্তৃক বছরে দুইবার অবসরপ্রাপ্তদের নিয়ে আলোচনা সভা।

 

জনপ্রিয়

নন্দীগ্রামে স্বচ্ছতার সহিত কৃষক স্মার্ট কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু 

রেশন চালু ও বৃদ্ধির দাবি গাইবান্ধা সৈনিক কল্যাণ সংস্থার

প্রকাশের সময়: ০৪:৫০:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অক্টোবর ২০২২

রেশন  ভাতা বৃদ্ধি, পুনরায় রেশন চালু করা ও বেতন ভাতা বৃদ্ধিসহ ১০ দফা দাবিতে গাইবান্ধা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন কেরেছ অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক কল্যাণ সংস্থা।

বুধবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে শহরের ডিবি রোডে মানববন্ধন শেষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুশান্ত কুমার মাহাতোর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে ১০ দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের জেলা সভাপতি শাহাদত হোসেন সাজু, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট আইয়ুব আলী প্রধান, সার্জেন্ট শাহজাহান, মোস্তাফিজুর রহমান, সার্জেন্ট আবুল কালাম প্রমুখ।

স্মারকলিপিতে দাবিগুলো হচ্ছে, রেশন ভাতা বৃদ্ধি অথবা পুনরায় রেশন চালু, বেতন ভাতা বৃদ্ধি, চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধি, প্রতি জেলায় সশস্ত্র বাহিনী বোর্ড স্থাপন করা, প্রতি জেলায় চিকিৎসা কেন্দ্র (সিডব্লিউসি) স্থাপন, অসুস্থ সৈনিকদের জন্য সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে যাতায়াতের সুবিধার্থে প্রতি জেলায় সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা চালু, মৃত সৈনিকদের সামরিক মর্যাদায় গার্ড অব অর্নার চালু, মৃত সৈনিকদের পারিবারিক পেনশন ৩ মাসের মধ্যে পদের অসহায় পরিবারকে দেয়া, সশস্ত্র বাহিনীর বোর্ড কর্তৃক বছরে দুইবার অবসরপ্রাপ্তদের নিয়ে আলোচনা সভা।