শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চিরিরবন্দরের শিক্ষা অফিসার রংপুর বিভাগের শ্রেষ্ঠ

রংপুর বিভাগের শ্রেষ্ঠ উপজেলা শিক্ষা অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলা শিক্ষা অফিসার এমজিএম সারোয়ার হোসেন। জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ পদক উপলক্ষে তিনি গত ১৬ অক্টোবর এ স্বীকৃতি লাভ করেন।
তিনি এ উপজেলায় যোগদানের পর মানসম্মত শিক্ষা সম্প্রসারণের লক্ষে নানারূপ যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। গ্রহণ করেছেন মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য বলিষ্ঠ ভূমিকাও। তার আন্তরিকতা, নিরলস প্রচেষ্টার কারণে পুরো কর্ম এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে আধুনিক শিক্ষার জ্যোতি।
তিনি ২০১৮ সাল হতে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণের জন্য উপজেলা প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সূধীজনের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে ইতিবাচক পরিবর্তনে আন্তরিকতার সাথে কাজ করছেন। অফিসের ছাদে ৪৬ প্রকার ফলের সমারোহে দৃষ্টিনন্দন ছাদ কৃষি করে সকলকে আকৃষ্ট করেছেন। তিনি অফিসকে সুসজ্জিত করে রুচিবোধের বহিঃপ্রকাশ ঘটান। তাঁর অনুপ্রেরণায় ২৮টি বিদ্যালয়ের ছাদে ছাদবাগান করা হয়েছে। তার অনুপ্রেরণায় শতভাগ বিদ্যালয়ে পানির লাইন, বেসিন, একসাথে ৪/৫ জন শিক্ষার্থীর হাত ধৌতকরণের জন্য বাহিরে বেসিন, স্থানীয় ব্যক্তিদের উদ্বুদ্ধ করে সম্পৃক্তকরণের মাধ্যমে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিকক্ষ টাইলস দ্বারা সুসজ্জিতকরণ, সকল বিদ্যালয়ে একই ডিজাইনে পতাকাবেদি, শহীদ মিনার স্থাপন করেছেন। তিনি ২০২২ সালে উপজেলার ৮টি বিদ্যালয়ে সিসিটিভি স্থাপন করে ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষাকে অনন্য উচ্চতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। তিনি ওইসব বিদ্যালয় অফিসে থেকেই মনিটরিং করছেন। তিনি প্রতিনিয়ত আন্তরিকতার সাথে প্রাথমিক শিক্ষার লভিষ্ট স্বপ্নকে বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে তিনি জেলা ও উপজেলায় শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন।
জনপ্রিয়

নন্দীগ্রামে স্বচ্ছতার সহিত কৃষক স্মার্ট কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু 

চিরিরবন্দরের শিক্ষা অফিসার রংপুর বিভাগের শ্রেষ্ঠ

প্রকাশের সময়: ০৮:২৬:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অক্টোবর ২০২২
রংপুর বিভাগের শ্রেষ্ঠ উপজেলা শিক্ষা অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলা শিক্ষা অফিসার এমজিএম সারোয়ার হোসেন। জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ পদক উপলক্ষে তিনি গত ১৬ অক্টোবর এ স্বীকৃতি লাভ করেন।
তিনি এ উপজেলায় যোগদানের পর মানসম্মত শিক্ষা সম্প্রসারণের লক্ষে নানারূপ যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। গ্রহণ করেছেন মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য বলিষ্ঠ ভূমিকাও। তার আন্তরিকতা, নিরলস প্রচেষ্টার কারণে পুরো কর্ম এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে আধুনিক শিক্ষার জ্যোতি।
তিনি ২০১৮ সাল হতে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণের জন্য উপজেলা প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সূধীজনের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে ইতিবাচক পরিবর্তনে আন্তরিকতার সাথে কাজ করছেন। অফিসের ছাদে ৪৬ প্রকার ফলের সমারোহে দৃষ্টিনন্দন ছাদ কৃষি করে সকলকে আকৃষ্ট করেছেন। তিনি অফিসকে সুসজ্জিত করে রুচিবোধের বহিঃপ্রকাশ ঘটান। তাঁর অনুপ্রেরণায় ২৮টি বিদ্যালয়ের ছাদে ছাদবাগান করা হয়েছে। তার অনুপ্রেরণায় শতভাগ বিদ্যালয়ে পানির লাইন, বেসিন, একসাথে ৪/৫ জন শিক্ষার্থীর হাত ধৌতকরণের জন্য বাহিরে বেসিন, স্থানীয় ব্যক্তিদের উদ্বুদ্ধ করে সম্পৃক্তকরণের মাধ্যমে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিকক্ষ টাইলস দ্বারা সুসজ্জিতকরণ, সকল বিদ্যালয়ে একই ডিজাইনে পতাকাবেদি, শহীদ মিনার স্থাপন করেছেন। তিনি ২০২২ সালে উপজেলার ৮টি বিদ্যালয়ে সিসিটিভি স্থাপন করে ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষাকে অনন্য উচ্চতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। তিনি ওইসব বিদ্যালয় অফিসে থেকেই মনিটরিং করছেন। তিনি প্রতিনিয়ত আন্তরিকতার সাথে প্রাথমিক শিক্ষার লভিষ্ট স্বপ্নকে বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে তিনি জেলা ও উপজেলায় শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন।