শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাম্প্রদায়িক সহিংসতা চিরতরে বন্ধের দাবিতে গাইবান্ধায় গণঅনশন

সাম্প্রদায়িক সহিংসতা চিরতরে বন্ধসহ সরকারি দলের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ৭ দফা দাবিতে গাইবান্ধায় গণ অনশন অনশন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

শনিবার (২২ অক্টোবর) বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খিৃষ্টান ঐক্য পরিষদ গাইবান্ধা জেলা শাখার উদ্যোগে  সকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত স্থানীয় পৌর পার্ক শহীদ মিনার চত্বরে গণ অনশন কর্মসূচি পালন করা হবে।

  • অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন হিন্দু বৌদ্ধ খিৃষ্টান ঐক্য পরিষদের জেলা সাধারণ সম্পাদক চঞ্চল সাহা এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুজন প্রসাদ।

বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খিৃষ্টান ঐক্য পরিষদ গাইবান্ধা জেলা সভাপতি রণজিৎ বকসী সূর্য্যরে সভাপতিত্বে গণ অনশন চলাকালে বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ পরেশ চন্দ্র সরকার, রবীন্দ্রনাথ সরকার, শ্যামল কুমার সাহা, রাজেশ কুমার দেব বাপী, গৌর পাহাড়ি, কামনাশীষ দেব, সুধীর দাস, সুমন চক্রবর্ত্তী, সজল সরকার, দুর্লভ মন্ডল, শংকর চক্রবর্ত্তী, কমলেশ বর্মন, অশোক সরকার, অশ্বিনী কুমার বর্মন, দীপক কুমার সরকার বাবলু, নিমাই ভট্টাচার্য, শেথরূপ বলদেব দাস প্রমুখ।

এছাড়া সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন গাইবান্ধা নাগরিক ঐক্য পরিষদের জেলা আহবায়ক অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম বাবু, একাত্তুর ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটি জেলা আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদুল হক শাহজাদা, জেলা জাসদ সভাপতি গোলাম মারুফ মনা, সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক জনি, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন জেলা সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন সরকার, সাধারণ সম্পাদক হাফিজার রহমান প্রমুখ।

৭ দফা দাবিগুলো হচ্ছে সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, বৈষম্য বিলোপ আইন প্রণয়ন, দেবোত্তর সম্পত্তি সংরক্ষণ আইন প্রণয়ন, জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন, অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পণ আইন যথাযথ বাস্তবায়ন, পার্বত্য শান্তিচুক্তি ও পার্বত্য ভুমি কমিশন আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন ও সমতলের আদিবাসীদের জন্য পৃথক ভুমি কমিশন গঠন।

গণ অনশনের শুরুতেই বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খিৃষ্টান ঐক্য পরিষদের যে সকল নেতাকর্মীরা পরলোক গমন করেছেন তাদের আত্মার শান্তি কামনা ও শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়।

 

জনপ্রিয়

নন্দীগ্রামে স্বচ্ছতার সহিত কৃষক স্মার্ট কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু 

সাম্প্রদায়িক সহিংসতা চিরতরে বন্ধের দাবিতে গাইবান্ধায় গণঅনশন

প্রকাশের সময়: ০৩:৪৩:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অক্টোবর ২০২২

সাম্প্রদায়িক সহিংসতা চিরতরে বন্ধসহ সরকারি দলের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ৭ দফা দাবিতে গাইবান্ধায় গণ অনশন অনশন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

শনিবার (২২ অক্টোবর) বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খিৃষ্টান ঐক্য পরিষদ গাইবান্ধা জেলা শাখার উদ্যোগে  সকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত স্থানীয় পৌর পার্ক শহীদ মিনার চত্বরে গণ অনশন কর্মসূচি পালন করা হবে।

  • অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন হিন্দু বৌদ্ধ খিৃষ্টান ঐক্য পরিষদের জেলা সাধারণ সম্পাদক চঞ্চল সাহা এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুজন প্রসাদ।

বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খিৃষ্টান ঐক্য পরিষদ গাইবান্ধা জেলা সভাপতি রণজিৎ বকসী সূর্য্যরে সভাপতিত্বে গণ অনশন চলাকালে বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ পরেশ চন্দ্র সরকার, রবীন্দ্রনাথ সরকার, শ্যামল কুমার সাহা, রাজেশ কুমার দেব বাপী, গৌর পাহাড়ি, কামনাশীষ দেব, সুধীর দাস, সুমন চক্রবর্ত্তী, সজল সরকার, দুর্লভ মন্ডল, শংকর চক্রবর্ত্তী, কমলেশ বর্মন, অশোক সরকার, অশ্বিনী কুমার বর্মন, দীপক কুমার সরকার বাবলু, নিমাই ভট্টাচার্য, শেথরূপ বলদেব দাস প্রমুখ।

এছাড়া সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন গাইবান্ধা নাগরিক ঐক্য পরিষদের জেলা আহবায়ক অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম বাবু, একাত্তুর ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটি জেলা আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদুল হক শাহজাদা, জেলা জাসদ সভাপতি গোলাম মারুফ মনা, সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক জনি, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন জেলা সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন সরকার, সাধারণ সম্পাদক হাফিজার রহমান প্রমুখ।

৭ দফা দাবিগুলো হচ্ছে সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, বৈষম্য বিলোপ আইন প্রণয়ন, দেবোত্তর সম্পত্তি সংরক্ষণ আইন প্রণয়ন, জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন, অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পণ আইন যথাযথ বাস্তবায়ন, পার্বত্য শান্তিচুক্তি ও পার্বত্য ভুমি কমিশন আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন ও সমতলের আদিবাসীদের জন্য পৃথক ভুমি কমিশন গঠন।

গণ অনশনের শুরুতেই বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খিৃষ্টান ঐক্য পরিষদের যে সকল নেতাকর্মীরা পরলোক গমন করেছেন তাদের আত্মার শান্তি কামনা ও শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়।