শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শীতে সোয়েটার পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিশুরা

মাঘের শীতে গাইবান্ধার মানুষ যবুথবু হয়ে পড়েছে। এরপ্রভাবে বেকায়দা ছিন্নমূল পরবারের বয়স্ক-শিশুরা। শীতের থাবায় কিছুতেই থামছিলো না তাদের শরীরের কাঁপনি। এরই মধ্যে এসব সুবিধাবঞ্চিত বয়স্ক ও শিশুদের পাশে দাঁড়িছে ‘জুমবাংলা ইয়ুথ ফাউন্ডেশন’ নামের একটি সংগঠন। এই সংগঠনের কর্মীরা ওইসব শীতার্তদের মাঝে দিলেন সোয়েটার ও কম্বল। এসময় নতুন সোয়েটার গায়ে দিয়ে মাতোয়রা হয়ে ওঠে শিশুরা।

বুধবার (১৮ জানুয়ারি) গাইবান্ধা  শহরের রেলকলনিতে অবস্থিত জুম বাংলাদেশ বিদ্যালয় চত্বরে ৫৪ জন শিশুর মধ্যে শীতের সোয়েটার ও শিশুর অভিভাবকেদের কম্বল বিতরণ করেছে সংগঠনটি।

এসময় গাইবান্ধা সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) সভাপতি অধ্যাপক জহুরুল কাইয়ুম, গাইবান্ধা জেলা ঔষধ প্রশাসনের সহকারী পরিচলক শিকদার কামরুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ নাসির উদ্দিন শাহ্, সাংস্কৃতিক কর্মী আফরোজা লুপু, জুম বাংলাদেশ এর শুভাকাঙ্খী সোহাগ মৃধা, মোসফাকুর রহমান জিয়া, সেহেল খান, জুম বাংলাদেশ এর সমন্বয়ক মোঃ মেহেদী হাসান, এনটি স্মরণ জুম বাংলাদেশ স্কুলের শিক্ষক ও ভলান্টিয়ারা উপস্থিত ছিলেন।

সুবিধাবঞ্চিত প্রথম শ্রেণির ছাত্র মোস্তাফিজুর বলে, আমি রেলকলনীর বস্তিতে থাকি। আগে স্কুলে পড়তাম না। পৌর পার্কে বেলুন, পপকর্ণ বিক্রয় করতাম। জুম বাংলাদেশ স্কুলে ভর্তি হওয়ার পর থেকে নিয়মিত স্কুলে যাই। আজ আমি জুম বাংলাদেশ থেকে শীতের সোয়েটার পেয়ে খুবই আনন্দিত।

আয়শা বেগম নামে এক অভিভবাবক বলেন, আমাদের দিনে এনে দিনে খাই। আমরা সন্তাদের প্রতি যত্ন নিতে পারি না। কনকনে শীতে কাহিল হয়ে পড়েছি। এরই মধ্যে একটি কম্বল পেয়ে বেশ ভালো লাগছে।

জুম বাংলাদেশ এর সমন্বয়ক মো. মেহেদী হাসান বলেন, আমরা প্রতিবছর শিশুদের শীতের জ্যাকেট ও শিশুর অভিভাবকেদের কম্বল দিয়ে থাকি। এইশিশুরা শীতে অনেক কষ্ট করে থাকে। আমরা শুভাকাঙ্খীদের সহযোগিতায় আয়োজন করে থাকি। আমাদের এসব উদ্যোগে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।

 

জনপ্রিয়

নন্দীগ্রামে স্বচ্ছতার সহিত কৃষক স্মার্ট কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু 

শীতে সোয়েটার পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিশুরা

প্রকাশের সময়: ০৯:৫২:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৩

মাঘের শীতে গাইবান্ধার মানুষ যবুথবু হয়ে পড়েছে। এরপ্রভাবে বেকায়দা ছিন্নমূল পরবারের বয়স্ক-শিশুরা। শীতের থাবায় কিছুতেই থামছিলো না তাদের শরীরের কাঁপনি। এরই মধ্যে এসব সুবিধাবঞ্চিত বয়স্ক ও শিশুদের পাশে দাঁড়িছে ‘জুমবাংলা ইয়ুথ ফাউন্ডেশন’ নামের একটি সংগঠন। এই সংগঠনের কর্মীরা ওইসব শীতার্তদের মাঝে দিলেন সোয়েটার ও কম্বল। এসময় নতুন সোয়েটার গায়ে দিয়ে মাতোয়রা হয়ে ওঠে শিশুরা।

বুধবার (১৮ জানুয়ারি) গাইবান্ধা  শহরের রেলকলনিতে অবস্থিত জুম বাংলাদেশ বিদ্যালয় চত্বরে ৫৪ জন শিশুর মধ্যে শীতের সোয়েটার ও শিশুর অভিভাবকেদের কম্বল বিতরণ করেছে সংগঠনটি।

এসময় গাইবান্ধা সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) সভাপতি অধ্যাপক জহুরুল কাইয়ুম, গাইবান্ধা জেলা ঔষধ প্রশাসনের সহকারী পরিচলক শিকদার কামরুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ নাসির উদ্দিন শাহ্, সাংস্কৃতিক কর্মী আফরোজা লুপু, জুম বাংলাদেশ এর শুভাকাঙ্খী সোহাগ মৃধা, মোসফাকুর রহমান জিয়া, সেহেল খান, জুম বাংলাদেশ এর সমন্বয়ক মোঃ মেহেদী হাসান, এনটি স্মরণ জুম বাংলাদেশ স্কুলের শিক্ষক ও ভলান্টিয়ারা উপস্থিত ছিলেন।

সুবিধাবঞ্চিত প্রথম শ্রেণির ছাত্র মোস্তাফিজুর বলে, আমি রেলকলনীর বস্তিতে থাকি। আগে স্কুলে পড়তাম না। পৌর পার্কে বেলুন, পপকর্ণ বিক্রয় করতাম। জুম বাংলাদেশ স্কুলে ভর্তি হওয়ার পর থেকে নিয়মিত স্কুলে যাই। আজ আমি জুম বাংলাদেশ থেকে শীতের সোয়েটার পেয়ে খুবই আনন্দিত।

আয়শা বেগম নামে এক অভিভবাবক বলেন, আমাদের দিনে এনে দিনে খাই। আমরা সন্তাদের প্রতি যত্ন নিতে পারি না। কনকনে শীতে কাহিল হয়ে পড়েছি। এরই মধ্যে একটি কম্বল পেয়ে বেশ ভালো লাগছে।

জুম বাংলাদেশ এর সমন্বয়ক মো. মেহেদী হাসান বলেন, আমরা প্রতিবছর শিশুদের শীতের জ্যাকেট ও শিশুর অভিভাবকেদের কম্বল দিয়ে থাকি। এইশিশুরা শীতে অনেক কষ্ট করে থাকে। আমরা শুভাকাঙ্খীদের সহযোগিতায় আয়োজন করে থাকি। আমাদের এসব উদ্যোগে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।