শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খানসামায় অনুমোদনহীন জৈব সার তৈরি ও বিক্রির দায়ে অর্থদণ্ড

দিনাজপুরের খানসামায় অনুমোদন ছাড়াই জৈব সার তৈরি ও মোড়কজাত করে বাজারে বিক্রির অপরাধে ‘রওশন ট্রাইকো জৈব সার’ কারখানার মালিককে ভোক্তা সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর ৪৩ ধারানুযায়ী ২০ হাজার টাকা জরিমানা, ২৯ বস্তা সার জব্দ ও রেজিস্ট্রেশন না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালেরর জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
সোমবার উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের আমতলীবাজার এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই কারখানায় অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারুফ হাসান। এসময় অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন আক্তার ও কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হাবিবা আক্তার উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, অনুমোদন ছাড়াই এবং উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরকে না জানিয়ে অবৈধভাবে জৈব সার তৈরি, প্যাকেটজাত করে বাজারজাত করে আসছিল রওশন এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক আবু সুফিয়ান সোয়েব। যা তিনি ট্রাইকো জৈব সার নামে বিক্রি করলেও ছিলো না ট্রাইকো সার উৎপাদনের প্রয়োজনীয় কোনো উপকরণ। এসব সার তিনি খানসামা উপজেলা ছাড়াও অন্যান্য উপজেলাগুলোতে কয়েক মাস ধরে বিক্রি করে আসছিলেন। বিষয়টি গোপন খবরের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ।
এ ব্যাপারে খানসামা উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন আক্তার বলেন-কৃষি মন্ত্রালয়ের নিবন্ধন ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান জৈব সার উৎপাদন, মোড়কজাত করে বাজারজাত করতে পারবে না। কিন্তু ওই কারখানা মালিক রওশন ট্রাইকো জৈব সার নামে মোড়কজাত করে বিক্রি করছেন। এটার কৃষি মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধন নেই। যা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ। তাই প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ অভিযান চালিয়েছে।
জনপ্রিয়

শাশুরির জায়গায় থাকি, ছেলে বেঁচে থাকলে নিজের বাড়িভিটা হতো: শহীদ নাজমুলের মা

খানসামায় অনুমোদনহীন জৈব সার তৈরি ও বিক্রির দায়ে অর্থদণ্ড

প্রকাশের সময়: ০৯:২৪:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৩
দিনাজপুরের খানসামায় অনুমোদন ছাড়াই জৈব সার তৈরি ও মোড়কজাত করে বাজারে বিক্রির অপরাধে ‘রওশন ট্রাইকো জৈব সার’ কারখানার মালিককে ভোক্তা সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর ৪৩ ধারানুযায়ী ২০ হাজার টাকা জরিমানা, ২৯ বস্তা সার জব্দ ও রেজিস্ট্রেশন না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালেরর জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
সোমবার উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের আমতলীবাজার এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই কারখানায় অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারুফ হাসান। এসময় অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন আক্তার ও কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হাবিবা আক্তার উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, অনুমোদন ছাড়াই এবং উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরকে না জানিয়ে অবৈধভাবে জৈব সার তৈরি, প্যাকেটজাত করে বাজারজাত করে আসছিল রওশন এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক আবু সুফিয়ান সোয়েব। যা তিনি ট্রাইকো জৈব সার নামে বিক্রি করলেও ছিলো না ট্রাইকো সার উৎপাদনের প্রয়োজনীয় কোনো উপকরণ। এসব সার তিনি খানসামা উপজেলা ছাড়াও অন্যান্য উপজেলাগুলোতে কয়েক মাস ধরে বিক্রি করে আসছিলেন। বিষয়টি গোপন খবরের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ।
এ ব্যাপারে খানসামা উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন আক্তার বলেন-কৃষি মন্ত্রালয়ের নিবন্ধন ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান জৈব সার উৎপাদন, মোড়কজাত করে বাজারজাত করতে পারবে না। কিন্তু ওই কারখানা মালিক রওশন ট্রাইকো জৈব সার নামে মোড়কজাত করে বিক্রি করছেন। এটার কৃষি মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধন নেই। যা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ। তাই প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ অভিযান চালিয়েছে।