রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কৃষকের মাঠে পড়ে ছিল নবজাতক 

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় কৃষকের মাঠে পড়ে থাকা পিতৃহীন এ নবজাতককে উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা। এই সন্তানকে দত্তক নিতে চান এক নিঃসন্তান গৃহবধূ।

বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার কালিকাডোবা গ্রামের কৃষকের মাঠ থেকে নবজাতক (পুত্র সন্তান) কে উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয়রা জানায়, ওই গ্রামের পশ্চিম পাতারে দুলু মিয়ার জমির পাশে কে বা কাহারা পিতৃহীন এ নবজাতক সন্তানকে ফেলে রেখে যায়। সকাল বেলা লোকজন মাঠে কাজের উদেশ্য বের হলে ওই শিশুর কান্না শুনতে পেয়ে এগিয়ে যায়।

এ সময় খবর পেয়ে ওই গ্রামের মোখলেছুর রহমানের স্ত্রী নাহিদা বেগম দ্রুত ঘটনার স্থলে পৌঁছে নবজাতক সন্তাকে উদ্ধার করে নিজ বfড়িতে নিয়ে ডাক্তারী চিকিৎসা করান।

চিকিৎসা চলাকালীন তার দেবর নিঃসন্তান রাজিব মিয়া (২৭) জানতে পেরে শিশুটিকে দত্তক হিসেবে লালন পালনের ইচ্ছা পোষণ করলে তার স্ত্রীর কোলে নাহিদা বেগম নবজাতককে তুলে দেন। শিশুটি এখন সুস্থ্য আছে বলে তারা জানান।

 

এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শফিউল আলম জুয়েল বলেন, দত্তক হিসাবে সন্তান নিতে অনেক আইনি জটিলতায় পড়তে হয় । তবে সামাজিকভাবে যদি সবার সম্মতিক্রমে ওই ব্যক্তি পিতৃহীন নবজাতক সন্তানের দায়িত্ব নিতে চাইলে কারো আপত্তি থাকার কথা নয়।

গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মুকিতুর রহমান রাফি জানান, ওই গৃহবধূ যদি দত্তক নেয় তাহলে শিশুটির জন্মনিবন্ধন করে নিতে পারবে।

এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইজার উদ্দিনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও ফোনটি রিসিভ করেনি তিনি।

 

জনপ্রিয়

চিরিরবন্দরে ছওয়াবের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু শিবির

কৃষকের মাঠে পড়ে ছিল নবজাতক 

প্রকাশের সময়: ০৩:২৬:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় কৃষকের মাঠে পড়ে থাকা পিতৃহীন এ নবজাতককে উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা। এই সন্তানকে দত্তক নিতে চান এক নিঃসন্তান গৃহবধূ।

বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার কালিকাডোবা গ্রামের কৃষকের মাঠ থেকে নবজাতক (পুত্র সন্তান) কে উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয়রা জানায়, ওই গ্রামের পশ্চিম পাতারে দুলু মিয়ার জমির পাশে কে বা কাহারা পিতৃহীন এ নবজাতক সন্তানকে ফেলে রেখে যায়। সকাল বেলা লোকজন মাঠে কাজের উদেশ্য বের হলে ওই শিশুর কান্না শুনতে পেয়ে এগিয়ে যায়।

এ সময় খবর পেয়ে ওই গ্রামের মোখলেছুর রহমানের স্ত্রী নাহিদা বেগম দ্রুত ঘটনার স্থলে পৌঁছে নবজাতক সন্তাকে উদ্ধার করে নিজ বfড়িতে নিয়ে ডাক্তারী চিকিৎসা করান।

চিকিৎসা চলাকালীন তার দেবর নিঃসন্তান রাজিব মিয়া (২৭) জানতে পেরে শিশুটিকে দত্তক হিসেবে লালন পালনের ইচ্ছা পোষণ করলে তার স্ত্রীর কোলে নাহিদা বেগম নবজাতককে তুলে দেন। শিশুটি এখন সুস্থ্য আছে বলে তারা জানান।

 

এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শফিউল আলম জুয়েল বলেন, দত্তক হিসাবে সন্তান নিতে অনেক আইনি জটিলতায় পড়তে হয় । তবে সামাজিকভাবে যদি সবার সম্মতিক্রমে ওই ব্যক্তি পিতৃহীন নবজাতক সন্তানের দায়িত্ব নিতে চাইলে কারো আপত্তি থাকার কথা নয়।

গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মুকিতুর রহমান রাফি জানান, ওই গৃহবধূ যদি দত্তক নেয় তাহলে শিশুটির জন্মনিবন্ধন করে নিতে পারবে।

এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইজার উদ্দিনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও ফোনটি রিসিভ করেনি তিনি।