রাত পোহালে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে শুরু হচ্ছে জেলা ইজতেমা। ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা দলে দলে আসতেও শুরু করেছে।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের সাহেবগঞ্জ বাণিজ্যিক খামারের কাটা নামকস্থানে এই ইজতেমা শুরু হবে।
ইজতেমা সুষ্ঠ ও নিরাপদসহ সকল বিষয় পর্যবেক্ষণ করার জন্য আজ বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গাইবান্ধা পুলিশ সুপার কামাল হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফ হোসেন, থানার ওসি ইজার উদ্দীন পরির্দশন করেন।
এছাড়াও গাইবান্ধা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ প্রধান, পৌর সভার মেয়র মুকিতুর রহমান রাফি, ওয়াকার্স পাটির সভাপতি এমএ মোতিন মোল্লাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের খোঁজ খবর নেন।
তিনি বলেন কমপক্ষে ১০ লক্ষাধিক মুসল্লির এতে অংশ নিবেন বলে আশা করছেন। সাঘাটা থেকে ইজতেমায় অংশ নিতে আসা আব্দুর রহমান বলেন, আয়োজক কমিটির আয়োজন অত্যন্ত সুন্দর। পরকালের নাজাতের আশায় সৃষ্টির কর্তার সন্তষ্টির জন্য ইজতেমায় এসেছি।
ইজতেমা বাস্তবায়ন কমিটির জিম্মাদার মাওলানা মো. মোখলেছুর রহমান জানান. ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৩ দিনব্যাপী ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। জেলার সাদুল্লাপুর, সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা, ফুলছড়ি, পলাশবাড়ী, গোবিন্দগঞ্জ ও সদর উপজেলার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জন্য পৃথক, পৃথকভাবে অবস্থানের যাবতীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এই তিনদিন তারা সাচ্ছন্দে রান্না ও থাকতে পারবেন। ইজতেমায় আগতদের জন্য রয়েছে টযলেট,অজুখানাসহ নামাজের জন্য স্থান নিদ্ধারিত রয়েছে।
এদিকে, ইজতেমা ময়দান পরিদর্শন শেষে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার কামাল হোসেন বলেন, ইজতেমায় আগত সকল মুসল্লির নিরাপত্তার জন্য সব ধরণের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এ জন্য আজ বুধবার থেকেই ইজতেমার ময়দানে পুলিশ কাজ করছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থাসহ অন্যান্য সংস্থা কাজ করছে। আখেরী মোনাজাত পর্যন্ত ইজতেমা ময়দান এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকবে।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, গাইবান্ধা 



















