বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় ৩ লাখ ৪২ হাজার শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল

গাইবান্ধা জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে ৩ লাখ ৪২ হাজার ৪০৫ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী  ৩৪ হাজার ৬২৯ জন শিশুকে একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী  ৩ লক্ষ ৭ হাজার ৭৭৬ জন শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পালন উপলক্ষ্যে রোববার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গাইবান্ধা সিভিল সার্জন কার্যালয় এক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় গণমাধ্যম কর্মীদের এ তথ্য জানানো হয়।

কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন বক্ষব্যাধি ক্লিনিকের কনসালটেন্ট ডা. মো.নাজমুল হুদা, মেডিকেল অফিসার ডা. কে.এম আফরোজ জাহান, জুনিয়ার স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার আমিরুল ইসলাম ও সাংবাদিক গোবিন্দ লাল দাস প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, আগামীকাল সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল  ৮টা  থেকে  বিকাল  ৪টা পর্যন্ত গাইবান্ধা জেলা মোট ৩ লাখ ৪২ হাজার ৪০৫ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। একই সঙ্গে আন্তঃব্যক্তি যোগাযোগ ও গণমাধ্যমের সহায়তায় জন্মের পরপরই (১ ঘণ্টার মধ্যে) শিশুকে শালদুধ খাওয়ানোসহ প্রথম ৬ মাস শিশুকে শুধু মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো এবং শিশুর বয়স ৬ মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরি পরিমাণ মতো সুষম খাবার খাওয়ানো বিষয়ে প্রচারাভিযান চালানো হবে। এ কার্যক্রম সফল করতে ইতিমধ্যে জেলা-উপজেলা ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবীদেরকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

বক্তারা আরও বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে যখন এই কার্যক্রম গ্রহণ করেন। তখন ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের মাঝে রাতকানা রোগের হার ছিল ৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এ বারের প্রত্যাশিত লক্ষমাত্রা ৯০ শতাংশের বেশি।

 

 

জনপ্রিয়

দুর্নীতির অভিযোগ এনে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব

গাইবান্ধায় ৩ লাখ ৪২ হাজার শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল

প্রকাশের সময়: ০৮:২২:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

গাইবান্ধা জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে ৩ লাখ ৪২ হাজার ৪০৫ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী  ৩৪ হাজার ৬২৯ জন শিশুকে একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী  ৩ লক্ষ ৭ হাজার ৭৭৬ জন শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পালন উপলক্ষ্যে রোববার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গাইবান্ধা সিভিল সার্জন কার্যালয় এক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় গণমাধ্যম কর্মীদের এ তথ্য জানানো হয়।

কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন বক্ষব্যাধি ক্লিনিকের কনসালটেন্ট ডা. মো.নাজমুল হুদা, মেডিকেল অফিসার ডা. কে.এম আফরোজ জাহান, জুনিয়ার স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার আমিরুল ইসলাম ও সাংবাদিক গোবিন্দ লাল দাস প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, আগামীকাল সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল  ৮টা  থেকে  বিকাল  ৪টা পর্যন্ত গাইবান্ধা জেলা মোট ৩ লাখ ৪২ হাজার ৪০৫ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। একই সঙ্গে আন্তঃব্যক্তি যোগাযোগ ও গণমাধ্যমের সহায়তায় জন্মের পরপরই (১ ঘণ্টার মধ্যে) শিশুকে শালদুধ খাওয়ানোসহ প্রথম ৬ মাস শিশুকে শুধু মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো এবং শিশুর বয়স ৬ মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরি পরিমাণ মতো সুষম খাবার খাওয়ানো বিষয়ে প্রচারাভিযান চালানো হবে। এ কার্যক্রম সফল করতে ইতিমধ্যে জেলা-উপজেলা ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবীদেরকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

বক্তারা আরও বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে যখন এই কার্যক্রম গ্রহণ করেন। তখন ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের মাঝে রাতকানা রোগের হার ছিল ৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এ বারের প্রত্যাশিত লক্ষমাত্রা ৯০ শতাংশের বেশি।