বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাকিমপুরে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানকে মারধরের অভিযোগ গ্রামপুলিশের বিরুদ্ধে

দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার ২নং বোয়ালদাড় ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মেফতাহুল জান্নাত মেফতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে গ্রামপুলিশ সুদীপ চন্দ্রের বিরুদ্ধে। বর্তমান ঐচেয়ারম্যান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রোববার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে বোয়ালদাড় ইউনিয়নের কাকড়াবালি গ্রামে এঘটনা ঘটে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, বোয়ালদাড় ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত গ্রামপুলিশ (দফাদার) সুদীপ চন্দ্র দীর্ঘদিন ঐইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মেফতাহুল জান্নাত মেফতার আবাদি জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করে আসছেন। গ্রামপুলিশ চেয়ারম্যানের পৌনে দুই বিঘা জমি বর্গা চাষ করছেন। তবে দুই বিঘার পরিবর্তে গোপনে সে পৌনে তিন বিঘা জমি চাষাবাদ করছেন। চেয়ারম্যান সঠিক ভাবে জমি মাপার জন্য আমিন নিয়ে আসেন এবং তাকে ডেকে আনেন। জমি মাপ দিয়ে দেখা যায়, পৌনে দুই বিঘার পরিবর্তে পৌনে তিন বিঘা ফসলি জমি ভোগদখল করে আসছে গ্রামপুলিশ সুদীপ চন্দ্র। ঘটনাস্থলে তাদের মাধ্য এই বিষয় নিয়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে গ্রামপুলিশ চেয়ারম্যান মেফতাকে কিলঘুষি মারতে থাকে। এছাড়াও ধাক্কা দিয়ে চেয়ারম্যানকে সরিষা ক্ষেতে ফেলে দেয়। চোখে এবং মাথায় ক্ষত হয়। পরে স্থানীয়রা আহত চেয়ারম্যানকে উদ্ধার  হাকিমপুর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
সাবেক চেয়ারম্যান মেফতাহুল জান্নাত মেফতা বলেন, সুদীপ চন্দ্র আমার ছোট ভাইয়ের পৌনে দুই বিঘা এবং আমার এক বিঘা জমি ভোগদখল করে আসছে। তবে তাকে পৌনে দুই বিঘা আবাদি জমি দেওয়া হয়েছে। বাঁকি জমি কেন সে গোপনে দখল করে আসছে এই জন্য তাকে ডেকে জানতে চেয়েছি। এই কারণে তার সাথে আমার বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে সে আমাকে আঘাত করতে থাকে। আমি এবিষয়ে থানার ওসিকে মৌখিক জানিয়েছি। সুস্থ হয়ে থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ করবো।
গ্রামপুলিশ সুদীপ চন্দ্র বলেন, আমি চেয়ারম্যান সাহেবকে মারধর করিনি। একটু ধাক্কাধাক্কি হয়েছে, এতেই তিনি সরিষার ক্ষেতে পড়ে আহত হন।
বোয়ালদাড় ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ছদরুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি খুবি দুঃখজনক। আমি বিষয়টি জেনেছি এবং আমার ঐগ্রাম পুলিশকে মৌখিক শাসন করেছি। সে একজন সাবেক চেয়ারম্যান তার গায়ে আঘাত করা মোটেও ঠিক হয়নি। আমার কাছে বিচার চাইলে আমি এর সঠিক বিচার করবো।
এবিষয়ে হাকিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আবু সায়েম মিয়া বলেন, বিষয়টি আমি এখনও আবগত হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো
জনপ্রিয়

দুর্নীতির অভিযোগ এনে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব

হাকিমপুরে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানকে মারধরের অভিযোগ গ্রামপুলিশের বিরুদ্ধে

প্রকাশের সময়: ০২:০৩:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার ২নং বোয়ালদাড় ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মেফতাহুল জান্নাত মেফতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে গ্রামপুলিশ সুদীপ চন্দ্রের বিরুদ্ধে। বর্তমান ঐচেয়ারম্যান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রোববার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে বোয়ালদাড় ইউনিয়নের কাকড়াবালি গ্রামে এঘটনা ঘটে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, বোয়ালদাড় ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত গ্রামপুলিশ (দফাদার) সুদীপ চন্দ্র দীর্ঘদিন ঐইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মেফতাহুল জান্নাত মেফতার আবাদি জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করে আসছেন। গ্রামপুলিশ চেয়ারম্যানের পৌনে দুই বিঘা জমি বর্গা চাষ করছেন। তবে দুই বিঘার পরিবর্তে গোপনে সে পৌনে তিন বিঘা জমি চাষাবাদ করছেন। চেয়ারম্যান সঠিক ভাবে জমি মাপার জন্য আমিন নিয়ে আসেন এবং তাকে ডেকে আনেন। জমি মাপ দিয়ে দেখা যায়, পৌনে দুই বিঘার পরিবর্তে পৌনে তিন বিঘা ফসলি জমি ভোগদখল করে আসছে গ্রামপুলিশ সুদীপ চন্দ্র। ঘটনাস্থলে তাদের মাধ্য এই বিষয় নিয়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে গ্রামপুলিশ চেয়ারম্যান মেফতাকে কিলঘুষি মারতে থাকে। এছাড়াও ধাক্কা দিয়ে চেয়ারম্যানকে সরিষা ক্ষেতে ফেলে দেয়। চোখে এবং মাথায় ক্ষত হয়। পরে স্থানীয়রা আহত চেয়ারম্যানকে উদ্ধার  হাকিমপুর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
সাবেক চেয়ারম্যান মেফতাহুল জান্নাত মেফতা বলেন, সুদীপ চন্দ্র আমার ছোট ভাইয়ের পৌনে দুই বিঘা এবং আমার এক বিঘা জমি ভোগদখল করে আসছে। তবে তাকে পৌনে দুই বিঘা আবাদি জমি দেওয়া হয়েছে। বাঁকি জমি কেন সে গোপনে দখল করে আসছে এই জন্য তাকে ডেকে জানতে চেয়েছি। এই কারণে তার সাথে আমার বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে সে আমাকে আঘাত করতে থাকে। আমি এবিষয়ে থানার ওসিকে মৌখিক জানিয়েছি। সুস্থ হয়ে থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ করবো।
গ্রামপুলিশ সুদীপ চন্দ্র বলেন, আমি চেয়ারম্যান সাহেবকে মারধর করিনি। একটু ধাক্কাধাক্কি হয়েছে, এতেই তিনি সরিষার ক্ষেতে পড়ে আহত হন।
বোয়ালদাড় ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ছদরুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি খুবি দুঃখজনক। আমি বিষয়টি জেনেছি এবং আমার ঐগ্রাম পুলিশকে মৌখিক শাসন করেছি। সে একজন সাবেক চেয়ারম্যান তার গায়ে আঘাত করা মোটেও ঠিক হয়নি। আমার কাছে বিচার চাইলে আমি এর সঠিক বিচার করবো।
এবিষয়ে হাকিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আবু সায়েম মিয়া বলেন, বিষয়টি আমি এখনও আবগত হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো