রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্ত্রীকে গলা টিপে হত্যা, স্বামীসহ গ্রেফতার ২

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় আরশি আক্তার (১৯) নামের এক গৃহবধূকে গলা টিতে হত্যার অভিযোগে মামলা হয়। এ মামলায় স্বামী মামুন মিয়া ও তার ভাই তুহিন মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে বগুড়ার গাবতলী এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত মামুন মিয়া ও তুহিন মিয়া গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের  সাতানা বালুয়া গ্রামের জলিল গাছুর ছেলে।

এ তথ্য নিশ্চিত করে গোবিন্দগগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইজার উদ্দিন বলেন, ওই হত্যা মামলার পর হতে আসামিরা পলাতক ছিলেন। এরই মধ্যে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গাবতলী এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

জানা যায়, গত ২০২২ সালের আগস্ট মাসে আসামি মামুন মিয়ার সঙ্গে  সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের হাসানপাড়া গ্রামের আজগর আলীর মেয়ে আরশি আক্তারের বিয়ে হয়। এ বিয়ের পর থেকে  আসামিরা যৌতুকের জন্য আরশিকে নির্যাতন করতে থাকে।  ধারাবাহিকতায় বিয়ের তিন মাসের মধ্যে স্বামী মামুন মিয়া এবং তার পরিবারের সদস্যরা মিলে আরশিকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে গলা টিপে হত্যা করে। এরপর তার লাশ ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখে সবাই পালিয়ে যায়।

জনপ্রিয়

চিরিরবন্দরে ছওয়াবের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু শিবির

স্ত্রীকে গলা টিপে হত্যা, স্বামীসহ গ্রেফতার ২

প্রকাশের সময়: ১০:৪৪:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় আরশি আক্তার (১৯) নামের এক গৃহবধূকে গলা টিতে হত্যার অভিযোগে মামলা হয়। এ মামলায় স্বামী মামুন মিয়া ও তার ভাই তুহিন মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে বগুড়ার গাবতলী এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত মামুন মিয়া ও তুহিন মিয়া গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের  সাতানা বালুয়া গ্রামের জলিল গাছুর ছেলে।

এ তথ্য নিশ্চিত করে গোবিন্দগগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইজার উদ্দিন বলেন, ওই হত্যা মামলার পর হতে আসামিরা পলাতক ছিলেন। এরই মধ্যে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গাবতলী এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

জানা যায়, গত ২০২২ সালের আগস্ট মাসে আসামি মামুন মিয়ার সঙ্গে  সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের হাসানপাড়া গ্রামের আজগর আলীর মেয়ে আরশি আক্তারের বিয়ে হয়। এ বিয়ের পর থেকে  আসামিরা যৌতুকের জন্য আরশিকে নির্যাতন করতে থাকে।  ধারাবাহিকতায় বিয়ের তিন মাসের মধ্যে স্বামী মামুন মিয়া এবং তার পরিবারের সদস্যরা মিলে আরশিকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে গলা টিপে হত্যা করে। এরপর তার লাশ ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখে সবাই পালিয়ে যায়।