শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চিরিরবন্দরে নববধূর আত্নহত্যা

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে পিত্রালয়ে বেড়াতে এসে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে এক নববধূ আত্নহত্যা করেছে। এ আত্নহত্যার ঘটনাটি বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতের ভোরে কোন এক সময় উপজেলার আব্দুলপুর ইউনিয়নের বাজে দিঘারণ গ্রামের কবিরাজপাড়ায় ঘটেছে।
জানা গেছে, উপজেলার আলোকডিহি ইউনিয়নের আবু সাঈদ (৩০) সাথে বাজে দিঘারণ গ্রামের কবিরাজপাড়ার ওবায়দুল হকের মেয়ে মাহফুজা আক্তার ওরফে কমলার (২১) গত ৬ মাস পূর্বে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। গত রবিবার কমলা স্বামীর বাড়ি থেতে তার পিত্রালয়ে বেড়াতে আসে।
কমলার বড় বোন মাহবুবা আক্তার জানান, রাতে তাদের মাসহ সবাই এক সাথে রাতের ভাত খেয়ে শুয়ে পড়ি এবং কমলা অন্য ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়ে। রাতে কখন যে ঘটনাটি ঘটেছে, তারা তা জানেন না। ভোরে তাদের মা নামাজ পড়ার জন্য উঠে এবং তাকে বিছানায় দেখতে না পেয়ে পাশের ঘরে গিয়ে তাকে (কমলা) ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এসময় তাদের মায়ের চিৎকারে পাড়া প্রতিবেশিরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
কমলার স্বামী আবু সাঈদ জানান, রাতে মোবাইল ফোনে তার স্ত্রীর সাথে কথাবার্তা হয়েছে এবং তাদের ফোনে ম্যাসেজ আদান-প্রদান হয়েছে।
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বজলুর রশিদ জানান, মৃতার পিতা ও একমাত্র ভাই ঢাকায় অবস্থান করছে। তাদের বাড়িতে কোন পুরুষ মানুষ ছিল না। তার আত্নহত্যার প্রকৃত রহস্য জানতে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জনপ্রিয়

আবু সাঈদের স্বপ্নের বাংলাদেশ আমরা প্রতিষ্ঠিত করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

চিরিরবন্দরে নববধূর আত্নহত্যা

প্রকাশের সময়: ০৫:২২:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে পিত্রালয়ে বেড়াতে এসে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে এক নববধূ আত্নহত্যা করেছে। এ আত্নহত্যার ঘটনাটি বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতের ভোরে কোন এক সময় উপজেলার আব্দুলপুর ইউনিয়নের বাজে দিঘারণ গ্রামের কবিরাজপাড়ায় ঘটেছে।
জানা গেছে, উপজেলার আলোকডিহি ইউনিয়নের আবু সাঈদ (৩০) সাথে বাজে দিঘারণ গ্রামের কবিরাজপাড়ার ওবায়দুল হকের মেয়ে মাহফুজা আক্তার ওরফে কমলার (২১) গত ৬ মাস পূর্বে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। গত রবিবার কমলা স্বামীর বাড়ি থেতে তার পিত্রালয়ে বেড়াতে আসে।
কমলার বড় বোন মাহবুবা আক্তার জানান, রাতে তাদের মাসহ সবাই এক সাথে রাতের ভাত খেয়ে শুয়ে পড়ি এবং কমলা অন্য ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়ে। রাতে কখন যে ঘটনাটি ঘটেছে, তারা তা জানেন না। ভোরে তাদের মা নামাজ পড়ার জন্য উঠে এবং তাকে বিছানায় দেখতে না পেয়ে পাশের ঘরে গিয়ে তাকে (কমলা) ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এসময় তাদের মায়ের চিৎকারে পাড়া প্রতিবেশিরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
কমলার স্বামী আবু সাঈদ জানান, রাতে মোবাইল ফোনে তার স্ত্রীর সাথে কথাবার্তা হয়েছে এবং তাদের ফোনে ম্যাসেজ আদান-প্রদান হয়েছে।
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বজলুর রশিদ জানান, মৃতার পিতা ও একমাত্র ভাই ঢাকায় অবস্থান করছে। তাদের বাড়িতে কোন পুরুষ মানুষ ছিল না। তার আত্নহত্যার প্রকৃত রহস্য জানতে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।