বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাটের অধিক ফলন ও দাম পাওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় চলতি মওসুমে পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। একই সঙ্গে ভালো দাম পাওয়ায় হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে।

সরেজমিনে রোববার (২১ আগস্ট) উপজেলার বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে দেয়া যায়, কৃষকদের খাল-বিলে-ডোবায় জাগ দেওয়া পাটের আঁশ ছড়ানোর চিত্র। কাঙ্খিত ফলন ও দাম ধাকায় মনের আনন্দে আঁশ বের করছিলেন কৃষক-শ্রমিকরা।

উপজেলা পাট উন্নয়ন বিভাগ ও  কৃষি বিভাগ সুত্রে জানা যায়, উপজেলার ফুলবাড়ী, মহিমাগঞ্জ, রাখালবুরুজ, কামারদহ, কোচাশহর, গুমানীগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় পাট চাষ বেশী আবাদ করা হয়েছে। চলতি মওসুমে প্রায় ৪০০ হেক্টর জমিতে রবি-১ জাত ও দেশী তোষাসহ বিভিন্ন জাতের পাট চাষ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় এবছরে বেশী।

স্থানীয় কৃষক খবির উদ্দিন বলেন,  আমি এক বিঘা জমিতে পাট চাষ করে বিঘা প্রতি ১১ মণ ফলন পেয়েছি। বাজারে ৩ হাজার ২০০ টাকা মণ দরে পাট বিক্রি করে খরচের তুলনায় দ্বিগুণ লাভবান হয়েছি। আগামী বছর ২ বিঘা জমিতে পাট চাষ করবো বলে ভাবছি।

কোচাশহর ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের কৃষক রইচ উদ্দিন বলেন, পাটের এবার ফলন ও দাম ভালো, তাই অন্য ফসলের চেয়ে পাট চাষ  লাভজনক।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ রেজা-ই মাহমুদ জানান, বছরে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় পাটের ভালো ফলন ও দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন। তাদের লাভবান করতে সার্বিক সহযোগিতা করা হয়েছে।

 

জনপ্রিয়

পাটের অধিক ফলন ও দাম পাওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি

প্রকাশের সময়: ০৫:৪৩:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ অগাস্ট ২০২২

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় চলতি মওসুমে পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। একই সঙ্গে ভালো দাম পাওয়ায় হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে।

সরেজমিনে রোববার (২১ আগস্ট) উপজেলার বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে দেয়া যায়, কৃষকদের খাল-বিলে-ডোবায় জাগ দেওয়া পাটের আঁশ ছড়ানোর চিত্র। কাঙ্খিত ফলন ও দাম ধাকায় মনের আনন্দে আঁশ বের করছিলেন কৃষক-শ্রমিকরা।

উপজেলা পাট উন্নয়ন বিভাগ ও  কৃষি বিভাগ সুত্রে জানা যায়, উপজেলার ফুলবাড়ী, মহিমাগঞ্জ, রাখালবুরুজ, কামারদহ, কোচাশহর, গুমানীগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় পাট চাষ বেশী আবাদ করা হয়েছে। চলতি মওসুমে প্রায় ৪০০ হেক্টর জমিতে রবি-১ জাত ও দেশী তোষাসহ বিভিন্ন জাতের পাট চাষ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় এবছরে বেশী।

স্থানীয় কৃষক খবির উদ্দিন বলেন,  আমি এক বিঘা জমিতে পাট চাষ করে বিঘা প্রতি ১১ মণ ফলন পেয়েছি। বাজারে ৩ হাজার ২০০ টাকা মণ দরে পাট বিক্রি করে খরচের তুলনায় দ্বিগুণ লাভবান হয়েছি। আগামী বছর ২ বিঘা জমিতে পাট চাষ করবো বলে ভাবছি।

কোচাশহর ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের কৃষক রইচ উদ্দিন বলেন, পাটের এবার ফলন ও দাম ভালো, তাই অন্য ফসলের চেয়ে পাট চাষ  লাভজনক।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ রেজা-ই মাহমুদ জানান, বছরে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় পাটের ভালো ফলন ও দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন। তাদের লাভবান করতে সার্বিক সহযোগিতা করা হয়েছে।